জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও (কপি) ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, তারা 'সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি' (ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায়) নীতির আওতায় সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সব কর্মকাণ্ড ও অপরাধের জন্য সরাসরি দায়ী।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও (কপি) ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, তারা 'সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি' (ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায়) নীতির আওতায় সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সব কর্মকাণ্ড ও অপরাধের জন্য সরাসরি দায়ী।

আপনার মতামত লিখুন