বাংলাদেশ ও মিসরের মধ্যে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) সই এবং ‘বাংলাদেশ-মিসর যৌথ মিডিয়া ফোরাম’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি এই প্রস্তাব দেন। সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য ও অপতথ্য (মিথ্যা তথ্য) মোকাবিলার ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি দুই দেশের মধ্যে গণমাধ্যম সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। মিসরের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় মিসর। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ (পিপল-টু-পিপল কনট্যাক্ট) বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ও মিসরের মধ্যে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) সই এবং ‘বাংলাদেশ-মিসর যৌথ মিডিয়া ফোরাম’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি এই প্রস্তাব দেন। সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য ও অপতথ্য (মিথ্যা তথ্য) মোকাবিলার ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি দুই দেশের মধ্যে গণমাধ্যম সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। মিসরের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় মিসর। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ (পিপল-টু-পিপল কনট্যাক্ট) বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন