যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ধ্বংসস্তূপকে কাজে লাগিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ইট তৈরির উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিবেশ পুরস্কার জিতেছে দুই ফিলিস্তিনি কিশোরী। ফারাহ মুসা ও তালা মুসা নামের এই দুই বোন ‘আর্থ প্রাইজ’-এর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে। তাদের উদ্ভাবনকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও আশার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (১৩ মে) বিবিসি জানিয়েছে, ১৭ বছর বয়সী তালা ও ১৫ বছর বয়সী ফারাহ বর্তমানে গাজার একটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। বোমা হামলায় তাদের বাড়ি ধ্বংস হওয়ার পর থেকে বারবার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালা বলেন, ‘পুরো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পর চারপাশের পরিস্থিতিই আমাদের সমাধান খুঁজতে বাধ্য করেছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়—যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে ইট তৈরির একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন দুই বোন। ধ্বংসস্তূপের কংক্রিট ও ভাঙা অংশ গুঁড়া করে ছেঁকে নেওয়ার পর এর সঙ্গে মাটি, ছাই ও কাচের গুঁড়ো মিশিয়ে এই ইট তৈরি করা হয়। কম খরচে তৈরি হওয়া হালকা ওজনের এই ব্লক মূলত ফুটপাত, অস্থায়ী দেয়াল বা বাগানের কাঠামোর মতো কাজে ব্যবহার উপযোগী।
ফারাহ জানান, প্রথমদিকে তারা প্রতিবেশীর তাঁবু ঝড়ো আবহাওয়ায় স্থির রাখতে এই ব্লক ব্যবহার করে কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। তবে একবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার সময় তাদের প্রথম প্রোটোটাইপ হারিয়ে যায়।
তালা বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তূপকে শুধু ক্ষতি আর বেদনার প্রতীক হিসেবে দেখতে চাইনি। নেতিবাচক কিছু থেকে ইতিবাচক কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটাকে শেষ হিসেবে না দেখে নতুন কিছুর শুরু হিসেবে দেখার চেষ্টা করেছি।’
এই উদ্যোগের জন্য তারা ১২ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৫ লাখ টাকারও বেশি। সেই অর্থ দিয়ে অন্তত ১০০ তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তালা ও ফারাহ।
বিষয় : গাজা উপত্যকা আবিষ্কার ফিলিস্তিন ইসরায়েল

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ধ্বংসস্তূপকে কাজে লাগিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ইট তৈরির উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিবেশ পুরস্কার জিতেছে দুই ফিলিস্তিনি কিশোরী। ফারাহ মুসা ও তালা মুসা নামের এই দুই বোন ‘আর্থ প্রাইজ’-এর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে। তাদের উদ্ভাবনকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও আশার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (১৩ মে) বিবিসি জানিয়েছে, ১৭ বছর বয়সী তালা ও ১৫ বছর বয়সী ফারাহ বর্তমানে গাজার একটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। বোমা হামলায় তাদের বাড়ি ধ্বংস হওয়ার পর থেকে বারবার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালা বলেন, ‘পুরো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পর চারপাশের পরিস্থিতিই আমাদের সমাধান খুঁজতে বাধ্য করেছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়—যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে ইট তৈরির একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন দুই বোন। ধ্বংসস্তূপের কংক্রিট ও ভাঙা অংশ গুঁড়া করে ছেঁকে নেওয়ার পর এর সঙ্গে মাটি, ছাই ও কাচের গুঁড়ো মিশিয়ে এই ইট তৈরি করা হয়। কম খরচে তৈরি হওয়া হালকা ওজনের এই ব্লক মূলত ফুটপাত, অস্থায়ী দেয়াল বা বাগানের কাঠামোর মতো কাজে ব্যবহার উপযোগী।
ফারাহ জানান, প্রথমদিকে তারা প্রতিবেশীর তাঁবু ঝড়ো আবহাওয়ায় স্থির রাখতে এই ব্লক ব্যবহার করে কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। তবে একবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার সময় তাদের প্রথম প্রোটোটাইপ হারিয়ে যায়।
তালা বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তূপকে শুধু ক্ষতি আর বেদনার প্রতীক হিসেবে দেখতে চাইনি। নেতিবাচক কিছু থেকে ইতিবাচক কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটাকে শেষ হিসেবে না দেখে নতুন কিছুর শুরু হিসেবে দেখার চেষ্টা করেছি।’
এই উদ্যোগের জন্য তারা ১২ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৫ লাখ টাকারও বেশি। সেই অর্থ দিয়ে অন্তত ১০০ তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তালা ও ফারাহ।

আপনার মতামত লিখুন