নাজমুল হক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪৬ বিঘা জমির প্রায় আট হাজার আমগাছের ডাল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাগান মালিকের কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমচাষি। এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গাংগার এলাকায় আমচাষি ইমারত মোল্লার ছয়জন শ্রমিক বাগানে পরিচর্যার কাজ করছিলেন। এ সময় বাবর আলী মেম্বার ও খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন লোক বাগানে প্রবেশ করে শ্রমিকদের বের করে দিয়ে প্রায় আট হাজার আমগাছের ডাল কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন ইমারত মোল্লা।
ইমারত মোল্লা জানান, ২০২৩ সালের জুন মাসে তিনি নয় বছরের জন্য বাগানটি লিজ নেন। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর নির্ধারিত টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও চলতি বছরে লোকসানের কারণে পুরো টাকা দিতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়ার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ বাগানে প্রবেশ করে গাছের ডাল কেটে দেয় এবং তাদের হুমকি দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবর আলী মেম্বার। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ইমারত মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে লিজের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করেননি। বকেয়া টাকা নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনি পুরো টাকা পরিশোধ করেননি। পরে তারা বাগান নিজেদের দখলে নিয়ে পরিচর্যা করছেন। গাছ কাটা হয়নি, আমগাছের পরিচর্যার অংশ হিসেবে ডাল ছাঁটাই করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
নাজমুল হক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪৬ বিঘা জমির প্রায় আট হাজার আমগাছের ডাল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাগান মালিকের কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমচাষি। এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গাংগার এলাকায় আমচাষি ইমারত মোল্লার ছয়জন শ্রমিক বাগানে পরিচর্যার কাজ করছিলেন। এ সময় বাবর আলী মেম্বার ও খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন লোক বাগানে প্রবেশ করে শ্রমিকদের বের করে দিয়ে প্রায় আট হাজার আমগাছের ডাল কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন ইমারত মোল্লা।
ইমারত মোল্লা জানান, ২০২৩ সালের জুন মাসে তিনি নয় বছরের জন্য বাগানটি লিজ নেন। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর নির্ধারিত টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও চলতি বছরে লোকসানের কারণে পুরো টাকা দিতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়ার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ বাগানে প্রবেশ করে গাছের ডাল কেটে দেয় এবং তাদের হুমকি দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবর আলী মেম্বার। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ইমারত মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে লিজের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করেননি। বকেয়া টাকা নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনি পুরো টাকা পরিশোধ করেননি। পরে তারা বাগান নিজেদের দখলে নিয়ে পরিচর্যা করছেন। গাছ কাটা হয়নি, আমগাছের পরিচর্যার অংশ হিসেবে ডাল ছাঁটাই করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন