বিপ্লব মল্লিক , মোংলা(বাগেরহাট):
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাশতলা নিজগ্রামে অসহায় ও বেকার জেলে পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় চাল, ডাল, আলু, তেল ও লবণসহ খাদ্যসামগ্রীর ফুড প্যাকেজ এসব পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রফেসর ড. শেখ মাহমুদ আলম ও এস এম আল-আমীন ফয়েজী পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে আয়োজকরা বলেন, সুন্দরবননির্ভর জেলে পরিবারগুলো নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে। কর্মসংস্থানের সংকট ও বিভিন্ন কারণে অনেক পরিবারকে কষ্টের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। তাদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্বের অংশ। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করার এ প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
প্রফেসর ড. শেখ মাহমুদ আলম বলেন, “আল্লাহ একমাত্র রিজিকদাতা। আমরা সবাই আল্লাহর গোলাম। একমাত্র আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্যই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ সামান্য প্রচেষ্টা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে বরকতময় রিজিক দান করুন এবং অসহায় পরিবারগুলোর কষ্ট দূর করুন—এটাই আমাদের প্রার্থনা।”
এ সময় উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা খাদ্য সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, প্রয়োজনের সময়ে এ ধরনের সহযোগিতা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে আসে।
স্থানীয়রা জানান, সুন্দরবননির্ভর জেলে পরিবারগুলোর অনেকেই কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে ভোগেন। তাদের জন্য খাদ্য সহায়তার এ উদ্যোগ মানবিক ও প্রশংসনীয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মানুষের কল্যাণে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক , মোংলা(বাগেরহাট):
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাশতলা নিজগ্রামে অসহায় ও বেকার জেলে পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় চাল, ডাল, আলু, তেল ও লবণসহ খাদ্যসামগ্রীর ফুড প্যাকেজ এসব পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রফেসর ড. শেখ মাহমুদ আলম ও এস এম আল-আমীন ফয়েজী পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে আয়োজকরা বলেন, সুন্দরবননির্ভর জেলে পরিবারগুলো নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে। কর্মসংস্থানের সংকট ও বিভিন্ন কারণে অনেক পরিবারকে কষ্টের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। তাদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্বের অংশ। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করার এ প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
প্রফেসর ড. শেখ মাহমুদ আলম বলেন, “আল্লাহ একমাত্র রিজিকদাতা। আমরা সবাই আল্লাহর গোলাম। একমাত্র আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্যই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ সামান্য প্রচেষ্টা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে বরকতময় রিজিক দান করুন এবং অসহায় পরিবারগুলোর কষ্ট দূর করুন—এটাই আমাদের প্রার্থনা।”
এ সময় উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা খাদ্য সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, প্রয়োজনের সময়ে এ ধরনের সহযোগিতা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে আসে।
স্থানীয়রা জানান, সুন্দরবননির্ভর জেলে পরিবারগুলোর অনেকেই কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে ভোগেন। তাদের জন্য খাদ্য সহায়তার এ উদ্যোগ মানবিক ও প্রশংসনীয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মানুষের কল্যাণে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।

আপনার মতামত লিখুন