আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)।
সম্প্রতি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব খালেদ মুহিউদ্দীনের বিশেষ আয়োজন ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে প্রার্থী হওয়ার দুটি বিশেষ কারণ তুলে ধরেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অলি আহমদের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
আলোচনায় অলি আহমদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় এবং জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন থাকার ফলে তাদের প্রার্থীর জয় প্রায় নিশ্চিত।
জবাবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রার্থী হওয়ার দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেন:
১.
তিনি জানান, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও চর্চাকে সম্মান জানাতে হবে।
তাঁর ভাষায়, “গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয় বা পরাজয়ের কথা চিন্তা করতে হবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটাকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে।”
২.
প্রার্থী হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বিরোধী জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব ও উপস্থিতি জানান দেওয়ার কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, “আজকে আমরা যদি প্রার্থী না দিতাম, তবে সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যম মন্তব্য করত যে ১১ দলীয় জোটের কোনো রাজনৈতিক অবস্থান বা প্রার্থী নেই। আমরা জনগণকে বার্তা দিতে চাই যে এই জোটের প্রার্থী রয়েছে। পাশাপাশি আমরা চাই, ১১ দলের চেয়ে বিএনপি যেন দেশের জন্য আরও গ্রহণযোগ্য ও ভালো প্রার্থী উপহার দেয়।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)।
সম্প্রতি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব খালেদ মুহিউদ্দীনের বিশেষ আয়োজন ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে প্রার্থী হওয়ার দুটি বিশেষ কারণ তুলে ধরেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অলি আহমদের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
আলোচনায় অলি আহমদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় এবং জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন থাকার ফলে তাদের প্রার্থীর জয় প্রায় নিশ্চিত।
জবাবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রার্থী হওয়ার দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেন:
১.
তিনি জানান, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও চর্চাকে সম্মান জানাতে হবে।
তাঁর ভাষায়, “গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয় বা পরাজয়ের কথা চিন্তা করতে হবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটাকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে।”
২.
প্রার্থী হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বিরোধী জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব ও উপস্থিতি জানান দেওয়ার কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, “আজকে আমরা যদি প্রার্থী না দিতাম, তবে সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যম মন্তব্য করত যে ১১ দলীয় জোটের কোনো রাজনৈতিক অবস্থান বা প্রার্থী নেই। আমরা জনগণকে বার্তা দিতে চাই যে এই জোটের প্রার্থী রয়েছে। পাশাপাশি আমরা চাই, ১১ দলের চেয়ে বিএনপি যেন দেশের জন্য আরও গ্রহণযোগ্য ও ভালো প্রার্থী উপহার দেয়।

আপনার মতামত লিখুন