মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, কুড়াল ও ছুরিসহ চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদার পাড়া বালুরমাট সাংবাদিক কলোনির পেছনের একটি ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইব্রাহিম ইদ্রিছ ওরফে ইদ্রিস (৩০), মো. আজম উদ্দিন (২১), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৬), মো. রাকিব (২২), মো. হারুন (৩১), মো. মোমিন হোসেন ওরফে বাচ্ছু (৩৫) এবং মো. রাসেল (২৮)।
পুলিশ জানায়, চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে এসআই হৃদয় মাহমুদ লিটন, এসআই জাফর আহম্মদ, এএসআই মো. মিজানুর রহমান, এএসআই অসিত নাথ, এএসআই শাহ আলমসহ পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযানে একটি কাঠের হাতলযুক্ত ২৭ ইঞ্চি লম্বা লোহার রামদা, বিশেষ কায়দায় তৈরি স্টিলের পাইপ ও লোহার ফলা সংবলিত একটি কুড়াল, স্টিলের হাতলযুক্ত একটি চাইনিজ কুড়াল এবং কাঠের হাতলযুক্ত ১৬ ইঞ্চি লম্বা একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১ নম্বর আসামি মো. ইব্রাহিম ওরফে ইদ্রিসের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানায় অস্ত্র, মাদক, ডাকাতির প্রস্তুতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ ও ২০২০ সালের অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলা ছাড়াও ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার ৪ নম্বর আসামি মো. রাকিবের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং চান্দগাঁও থানায় আরও একটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চান্দগাঁও থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চান্দগাঁও থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় রুজু করা হয়। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, কুড়াল ও ছুরিসহ চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদার পাড়া বালুরমাট সাংবাদিক কলোনির পেছনের একটি ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইব্রাহিম ইদ্রিছ ওরফে ইদ্রিস (৩০), মো. আজম উদ্দিন (২১), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৬), মো. রাকিব (২২), মো. হারুন (৩১), মো. মোমিন হোসেন ওরফে বাচ্ছু (৩৫) এবং মো. রাসেল (২৮)।
পুলিশ জানায়, চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে এসআই হৃদয় মাহমুদ লিটন, এসআই জাফর আহম্মদ, এএসআই মো. মিজানুর রহমান, এএসআই অসিত নাথ, এএসআই শাহ আলমসহ পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযানে একটি কাঠের হাতলযুক্ত ২৭ ইঞ্চি লম্বা লোহার রামদা, বিশেষ কায়দায় তৈরি স্টিলের পাইপ ও লোহার ফলা সংবলিত একটি কুড়াল, স্টিলের হাতলযুক্ত একটি চাইনিজ কুড়াল এবং কাঠের হাতলযুক্ত ১৬ ইঞ্চি লম্বা একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১ নম্বর আসামি মো. ইব্রাহিম ওরফে ইদ্রিসের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানায় অস্ত্র, মাদক, ডাকাতির প্রস্তুতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ ও ২০২০ সালের অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলা ছাড়াও ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার ৪ নম্বর আসামি মো. রাকিবের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং চান্দগাঁও থানায় আরও একটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চান্দগাঁও থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চান্দগাঁও থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় রুজু করা হয়। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।

আপনার মতামত লিখুন