বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্টঃ
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ও আটটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের প্রবেশ পথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. সাইদুজ্জামান।
অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলগুলোর একটি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মী, একটি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) এবং বাকিগুলো হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম যাদুর দাবি, “বেসরকারি একটি অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে জানমালের ক্ষতি না হলেও আমার ও আমার স্ত্রীর দুটিসহ অন্তত আটটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়ে গেছে। আগুন লাগার পর বিকট শব্দে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ ঘটে।”
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি একটি অ্যাম্বুলেন্স ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত পানি ছিটিয়ে আগুন নেভায়।
“অল্প সময়ের মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে আগুনের ধোঁয়ায় হাসপাতালের নিচতলা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গেইটের সামনে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স ও আটটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়।”
বেসরকারি একটি অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত ধারণা করা হলেও বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার বলেন, হাসপাতালে প্রবেশের প্রধান ফটকে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স রোগী পরিবহণ করতে দাঁড়ায়। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে ধোঁয়ায় নিচতলা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্টঃ
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ও আটটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের প্রবেশ পথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. সাইদুজ্জামান।
অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলগুলোর একটি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মী, একটি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) এবং বাকিগুলো হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম যাদুর দাবি, “বেসরকারি একটি অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে জানমালের ক্ষতি না হলেও আমার ও আমার স্ত্রীর দুটিসহ অন্তত আটটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়ে গেছে। আগুন লাগার পর বিকট শব্দে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ ঘটে।”
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি একটি অ্যাম্বুলেন্স ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত পানি ছিটিয়ে আগুন নেভায়।
“অল্প সময়ের মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে আগুনের ধোঁয়ায় হাসপাতালের নিচতলা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গেইটের সামনে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স ও আটটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়।”
বেসরকারি একটি অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত ধারণা করা হলেও বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার বলেন, হাসপাতালে প্রবেশের প্রধান ফটকে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স রোগী পরিবহণ করতে দাঁড়ায়। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে ধোঁয়ায় নিচতলা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন