কক্সবাজারের টেকনাফে নদীপথে ইয়াবা পাচারের সময় ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের জোড়াকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—হোয়াইক্যংয়ের কাটাখালী হাতীমারা এলাকার মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে নুর বশর এবং উলুবনিয়া এলাকার আলী আকবরের ছেলে আবুল ফয়েজ।
সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীন পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উলুবনিয়া গ্রামের জোড়াকাঠি এলাকায় অবস্থান করছিল। ভোরে মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে টহল দলের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে নুর বশর ও আবুল ফয়েজকে আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে খাকি রঙের প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙের ৩৫টি কার্টনে ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে নদীপথে ইয়াবা পাচারের সময় ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের জোড়াকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—হোয়াইক্যংয়ের কাটাখালী হাতীমারা এলাকার মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে নুর বশর এবং উলুবনিয়া এলাকার আলী আকবরের ছেলে আবুল ফয়েজ।
সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীন পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উলুবনিয়া গ্রামের জোড়াকাঠি এলাকায় অবস্থান করছিল। ভোরে মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে টহল দলের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে নুর বশর ও আবুল ফয়েজকে আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে খাকি রঙের প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙের ৩৫টি কার্টনে ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন