বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের পরিণতি। তিনি বলেন, অন্যায়-অবিচার এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিন মেনে নেয় না; একপর্যায়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউট্যাবের যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের সময়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই শাসনের পরিণতি ঘটেছে। বর্তমানে যারা শেখ হাসিনার আমলকে ভালো হিসেবে উপস্থাপন করছেন, তাদের বক্তব্যের সঙ্গে জুলাইয়ের বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন। এটি ছিল জনগণের একটি বড় ধরনের গণউত্থান।
জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা ছিল। তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি আন্দোলনের কর্মসূচিগুলোতে সমর্থন জানিয়েছে এবং দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রাজপথে অংশ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ‘বাংলা ব্লকেড’ ও ‘মার্চ ফর জাস্টিস’সহ বিভিন্ন কর্মসূচির প্রতি বিএনপি সমর্থন জানিয়েছিল।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ইউট্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের পরিণতি। তিনি বলেন, অন্যায়-অবিচার এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিন মেনে নেয় না; একপর্যায়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউট্যাবের যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের সময়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই শাসনের পরিণতি ঘটেছে। বর্তমানে যারা শেখ হাসিনার আমলকে ভালো হিসেবে উপস্থাপন করছেন, তাদের বক্তব্যের সঙ্গে জুলাইয়ের বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন। এটি ছিল জনগণের একটি বড় ধরনের গণউত্থান।
জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা ছিল। তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি আন্দোলনের কর্মসূচিগুলোতে সমর্থন জানিয়েছে এবং দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রাজপথে অংশ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ‘বাংলা ব্লকেড’ ও ‘মার্চ ফর জাস্টিস’সহ বিভিন্ন কর্মসূচির প্রতি বিএনপি সমর্থন জানিয়েছিল।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ইউট্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন