ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে থেকে কোনো নির্বাচন চাননি, বরং তা আন্দোলন বা বিভিন্ন পক্ষের মাধ্যমে আদায় করে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শনিবার (১ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. ইউনূসের নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, "অনেকে বলেন যে ড. ইউনূস তো খুব ভালো কাজ করে গেছেন, নির্বাচন দিয়ে গেছেন। দেখেন, নির্বাচনটা কিন্তু আদায় করে নেওয়া হয়েছে। ড. ইউনূস যে নির্বাচন চাচ্ছিলেন না, তার প্রমাণ হলো তিনি দেশের বাইরে গিয়ে বলেছিলেন—বাংলাদেশে একটিমাত্র দল নির্বাচন চায়, আর কেউ নির্বাচন চায় না। আচ্ছা, নির্বাচনের প্রতি যার এত ভালোবাসা, তিনি কি এই কথা বলতে পারেন? এই কথা বলতে পারেন না।"
তিনি আরও বলেন, "অর্থাৎ, তিনি হয়তো দায়িত্ব গ্রহণের আগে এক ধরনের মানসিকতা পোষণ করতেন, কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরে তার ভেতরে আসলে ক্ষমতার লিপসা চলে এসেছিল।"
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, বর্তমানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটগুলো ড. ইউনূস এবং তার সৃষ্ট ঐকমত্য কমিশনের তৈরি। সুতরাং, তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কোনো সুযোগ নেই এবং জনগণের পক্ষ থেকে ঘৃণা প্রকাশ না চাইলেও তা চলে আসে।
তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা তো চেয়েছিলাম যে সরকারি দল ও বিরোধী দলসহ সবাই মিলে নির্বাচনের পরে রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে মনোযোগ দেবো। কিন্তু কেন সেই পুনর্গঠনে আমরা মনোযোগ দিতে পারছি না? কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক ধরনের চক্রান্ত ছিল, কতিপয় উপদেষ্টার ষড়যন্ত্র ছিল। আমি জানি, আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি।"

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে থেকে কোনো নির্বাচন চাননি, বরং তা আন্দোলন বা বিভিন্ন পক্ষের মাধ্যমে আদায় করে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শনিবার (১ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. ইউনূসের নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, "অনেকে বলেন যে ড. ইউনূস তো খুব ভালো কাজ করে গেছেন, নির্বাচন দিয়ে গেছেন। দেখেন, নির্বাচনটা কিন্তু আদায় করে নেওয়া হয়েছে। ড. ইউনূস যে নির্বাচন চাচ্ছিলেন না, তার প্রমাণ হলো তিনি দেশের বাইরে গিয়ে বলেছিলেন—বাংলাদেশে একটিমাত্র দল নির্বাচন চায়, আর কেউ নির্বাচন চায় না। আচ্ছা, নির্বাচনের প্রতি যার এত ভালোবাসা, তিনি কি এই কথা বলতে পারেন? এই কথা বলতে পারেন না।"
তিনি আরও বলেন, "অর্থাৎ, তিনি হয়তো দায়িত্ব গ্রহণের আগে এক ধরনের মানসিকতা পোষণ করতেন, কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরে তার ভেতরে আসলে ক্ষমতার লিপসা চলে এসেছিল।"
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, বর্তমানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটগুলো ড. ইউনূস এবং তার সৃষ্ট ঐকমত্য কমিশনের তৈরি। সুতরাং, তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কোনো সুযোগ নেই এবং জনগণের পক্ষ থেকে ঘৃণা প্রকাশ না চাইলেও তা চলে আসে।
তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা তো চেয়েছিলাম যে সরকারি দল ও বিরোধী দলসহ সবাই মিলে নির্বাচনের পরে রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে মনোযোগ দেবো। কিন্তু কেন সেই পুনর্গঠনে আমরা মনোযোগ দিতে পারছি না? কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক ধরনের চক্রান্ত ছিল, কতিপয় উপদেষ্টার ষড়যন্ত্র ছিল। আমি জানি, আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি।"

আপনার মতামত লিখুন