রিপোর্ট: বিপ্লব মল্লিক
প্রজনন মৌসুমে তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার হারান হাজারো জেলে। সেই সময়ের সংকট মোকাবিলায় এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এতে স্বস্তি ফিরেছে সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার জেলেদের মধ্যে।
সুন্দরবনের নদী-খালকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো জেলে। তবে প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় তাদের আয়-রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।
প্রজনন মৌসুমে তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার হারান হাজারো জেলে। সেই সময়ের সংকট মোকাবিলায় এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এতে স্বস্তি ফিরেছে সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার জেলেদের মধ্যে। বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্ট
সুন্দরবনের নদী-খালকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো জেলে। তবে প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় তাদের আয়-রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
রিপোর্ট: বিপ্লব মল্লিক
প্রজনন মৌসুমে তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার হারান হাজারো জেলে। সেই সময়ের সংকট মোকাবিলায় এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এতে স্বস্তি ফিরেছে সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার জেলেদের মধ্যে।
সুন্দরবনের নদী-খালকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো জেলে। তবে প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় তাদের আয়-রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।
প্রজনন মৌসুমে তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার হারান হাজারো জেলে। সেই সময়ের সংকট মোকাবিলায় এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এতে স্বস্তি ফিরেছে সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার জেলেদের মধ্যে। বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্ট
সুন্দরবনের নদী-খালকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো জেলে। তবে প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় তাদের আয়-রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এবার প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন