অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বর্তমান সরকার মাত্র চার মাসে ১১৭টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা কয়েকটি অধ্যাদেশ এখনো আইনে পরিণত হয়নি। তবে বিএনপি কখনোই বলেনি যে সেগুলো আইনে পরিণত করা হবে না। তার ভাষ্য, অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেগুলো আরও যাচাই-বাছাই শেষে আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও হত্যার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই এসব বিষয়ে প্রণীত অধ্যাদেশগুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে আইনে রূপ দেওয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন যাদের সঙ্গে রাজনীতি করা হয়েছে, তাদের বর্তমান অবস্থান অনেকটাই ভিন্ন। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে তাদের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাঁচ মাসের মাথায় সরকার পরিবর্তনের প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।
সমাবেশে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী এমপি, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজেদুর রহমান সাগরসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে যশোরের আট উপজেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন। এ সময় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো সমাবেশস্থল।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বর্তমান সরকার মাত্র চার মাসে ১১৭টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা কয়েকটি অধ্যাদেশ এখনো আইনে পরিণত হয়নি। তবে বিএনপি কখনোই বলেনি যে সেগুলো আইনে পরিণত করা হবে না। তার ভাষ্য, অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেগুলো আরও যাচাই-বাছাই শেষে আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও হত্যার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই এসব বিষয়ে প্রণীত অধ্যাদেশগুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে আইনে রূপ দেওয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন যাদের সঙ্গে রাজনীতি করা হয়েছে, তাদের বর্তমান অবস্থান অনেকটাই ভিন্ন। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে তাদের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাঁচ মাসের মাথায় সরকার পরিবর্তনের প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।
সমাবেশে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী এমপি, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজেদুর রহমান সাগরসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে যশোরের আট উপজেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন। এ সময় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো সমাবেশস্থল।

আপনার মতামত লিখুন