ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবুতে অবস্থিত দুটি আরামকো তেল স্থাপনায় সফল হামলার দাবি করেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) চালানো এ হামলা হুদেইদা বন্দর ও কামরান দ্বীপে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
হুথিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি আরবের অবরোধ এবং সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার জবাব হিসেবে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে সৌদি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে হুথি গোষ্ঠী জানায়, “এই আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী দুটি নির্দিষ্ট সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।” তাদের দাবি, প্রথম অভিযানে ডজনখানেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে জিজানের গুরুত্বপূর্ণ আরামকো স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। দ্বিতীয় অভিযানে একাধিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের মাধ্যমে ইয়ানবুর আরামকো স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় বাব আল-মান্দেব প্রণালী সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথে পরিণত হয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেন টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর দেশটির মধ্যাঞ্চলের মারিব এবং উত্তরাঞ্চলের আল-জউফ প্রদেশে হুথি বাহিনীর বিভিন্ন অবস্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব হামলায় কয়েকজন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বিশেষজ্ঞসহ বেশ কয়েকজন হুথি সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে হুথি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবুতে অবস্থিত দুটি আরামকো তেল স্থাপনায় সফল হামলার দাবি করেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) চালানো এ হামলা হুদেইদা বন্দর ও কামরান দ্বীপে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
হুথিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি আরবের অবরোধ এবং সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার জবাব হিসেবে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে সৌদি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে হুথি গোষ্ঠী জানায়, “এই আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী দুটি নির্দিষ্ট সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।” তাদের দাবি, প্রথম অভিযানে ডজনখানেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে জিজানের গুরুত্বপূর্ণ আরামকো স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। দ্বিতীয় অভিযানে একাধিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের মাধ্যমে ইয়ানবুর আরামকো স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় বাব আল-মান্দেব প্রণালী সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথে পরিণত হয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেন টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর দেশটির মধ্যাঞ্চলের মারিব এবং উত্তরাঞ্চলের আল-জউফ প্রদেশে হুথি বাহিনীর বিভিন্ন অবস্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব হামলায় কয়েকজন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বিশেষজ্ঞসহ বেশ কয়েকজন হুথি সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে হুথি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আপনার মতামত লিখুন