অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ২৪ জুলাই ২০২৬ দুপুরে পটিয়া থানাধীন কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দুর্গম পাহাড়ি পথ ও প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে ডিবি সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেলিশহর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইন্নারপাড়া এলাকায় মো. দেলোয়ার হোসেনের বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় খাটের নিচ থেকে ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দামাদা, ১টি লোহা কাটার যন্ত্র এবং ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পরে একই এলাকার ছাতিভাঙ্গা আফছারের গাছবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুকিয়ে রাখা ২টি একনলা বন্দুক ও ২টি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
১. মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৪)
পিতা: মৃত মো. দুলা মিয়া
মাতা: রাজিয়া বেগম
ঠিকানা: ইন্নারপাড়া (ছদু মিয়ার বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, ১১নং কেলিশহর ইউনিয়ন, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
২. মো. মহসিন (৩৩)
পিতা: নুরে আলম পুচুম
মাতা: ছলিমা বেগম
ঠিকানা: ইন্নারপাড়া (ছদু মিয়ার বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, ১১নং কেলিশহর ইউনিয়ন, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে—২টি একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দামাদা, ১টি লোহা কাটার যন্ত্র ও ২টি মোবাইল ফোন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলার দুর্গম এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগী, অস্ত্রের উৎস এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী চক্র শনাক্ত করতে জেলা ডিবি পুলিশের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ২৪ জুলাই ২০২৬ দুপুরে পটিয়া থানাধীন কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দুর্গম পাহাড়ি পথ ও প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে ডিবি সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেলিশহর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইন্নারপাড়া এলাকায় মো. দেলোয়ার হোসেনের বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় খাটের নিচ থেকে ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দামাদা, ১টি লোহা কাটার যন্ত্র এবং ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পরে একই এলাকার ছাতিভাঙ্গা আফছারের গাছবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুকিয়ে রাখা ২টি একনলা বন্দুক ও ২টি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
১. মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৪)
পিতা: মৃত মো. দুলা মিয়া
মাতা: রাজিয়া বেগম
ঠিকানা: ইন্নারপাড়া (ছদু মিয়ার বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, ১১নং কেলিশহর ইউনিয়ন, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
২. মো. মহসিন (৩৩)
পিতা: নুরে আলম পুচুম
মাতা: ছলিমা বেগম
ঠিকানা: ইন্নারপাড়া (ছদু মিয়ার বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, ১১নং কেলিশহর ইউনিয়ন, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে—২টি একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দামাদা, ১টি লোহা কাটার যন্ত্র ও ২টি মোবাইল ফোন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলার দুর্গম এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগী, অস্ত্রের উৎস এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী চক্র শনাক্ত করতে জেলা ডিবি পুলিশের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন