বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ৫০ শষ্যার হাসপাতাল হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) পরিদর্শন করেন।
আকস্মিক পরিদর্শনে শনিবার সকাল ১১টায় হাসপাতালে এসে রোগীদের সেবার গুণগত মান, হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, নানাবিধ অনিয়ম, খাবারের মান, চিকিৎসক সংকটসহ বিভিন্ন খোঁজখবর নেন।
তিনি দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা হাসপাতালের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণ আমোদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমরা মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা জনগণের প্রতি আছে।
এ মানুষের সার্বিক দায়িত্ব আমাদের ওপর। অতীতের উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই। সারা বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। আমরা চাই না কোনো মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাক।
আমাদের যা কিছু আছে তাই দিয়ে গরিব মানুষের সেবা করতে চাই। যে কারণে ৫০ শষ্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় রূপান্তিত করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
একইসঙ্গে তিনি হাসপালে বিভিন্ন সময়ে মজুতকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ধংসের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ক্লিনিক পরিদর্শন করে কিছু অসংগতি পান।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ৫০ শষ্যার হাসপাতাল হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) পরিদর্শন করেন।
আকস্মিক পরিদর্শনে শনিবার সকাল ১১টায় হাসপাতালে এসে রোগীদের সেবার গুণগত মান, হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, নানাবিধ অনিয়ম, খাবারের মান, চিকিৎসক সংকটসহ বিভিন্ন খোঁজখবর নেন।
তিনি দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা হাসপাতালের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণ আমোদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমরা মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা জনগণের প্রতি আছে।
এ মানুষের সার্বিক দায়িত্ব আমাদের ওপর। অতীতের উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই। সারা বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। আমরা চাই না কোনো মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাক।
আমাদের যা কিছু আছে তাই দিয়ে গরিব মানুষের সেবা করতে চাই। যে কারণে ৫০ শষ্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় রূপান্তিত করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
একইসঙ্গে তিনি হাসপালে বিভিন্ন সময়ে মজুতকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ধংসের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ক্লিনিক পরিদর্শন করে কিছু অসংগতি পান।

আপনার মতামত লিখুন