প্রাইম টিভি
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন আইনমন্ত্রী

মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন আইনমন্ত্রী

সব শিক্ষিত বেকারকে চাকুরি দেওয়া হবে---- বিমান প্রতিমন্ত্রী

সব শিক্ষিত বেকারকে চাকুরি দেওয়া হবে---- বিমান প্রতিমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার: ভূমিমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার: ভূমিমন্ত্রী

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তৎপরতা বাড়াতে হবে: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তৎপরতা বাড়াতে হবে: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

জুলাইয়ের শহীদ-আহতদের সম্মান নিশ্চিত করতে হবে: মেয়র ডাঃ  শাহাদাত হোসেন

জুলাইয়ের শহীদ-আহতদের সম্মান নিশ্চিত করতে হবে: মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স, সীতাকুণ্ড মডেল থানার বার্ষিক পরিদর্শন শেষে: এসপি মাসুদ আলম

সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স, সীতাকুণ্ড মডেল থানার বার্ষিক পরিদর্শন শেষে: এসপি মাসুদ আলম

এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

ওয়াসিমের পরিবারসহ জুলাই শহীদদের স্বজনদের কথা শুনলেন চট্টগ্রামের ডিসি

ওয়াসিমের পরিবারসহ জুলাই শহীদদের স্বজনদের কথা শুনলেন চট্টগ্রামের ডিসি

পদত্যাগের পরও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের পরও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

প্রাইম প্রতিবেদন 

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিকেল ৫টা ১ মিনিটে স্পিকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলেও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অবসরভাতা, চিকিৎসাসুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।

মাসিক অবসর ভাতা

‘রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির পদে কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করলে বা মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়লে তিনি আজীবন রাষ্ট্রপতির সর্বশেষ মাসিক বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে অবসর ভাতা পাবেন।

বর্তমান আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে মো. সাহাবুদ্দিন মাসে ৯০ হাজার টাকা অবসর ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

আনুতোষিক নেওয়ার সুযোগ

আইন অনুযায়ী, মাসিক অবসর ভাতার পরিবর্তে সাবেক রাষ্ট্রপতি চাইলে এককালীন আনুতোষিক গ্রহণ করতে পারবেন। এ জন্য অবসর ভাতার অধিকার অর্জনের এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। আনুতোষিকের পরিমাণ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ের ওপর নির্ভর করবে এবং আংশিক বছরও পূর্ণ বছর হিসেবে গণ্য হবে।

অন্যান্য সুবিধা

অবসরের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আরও যেসব সুবিধা পাবেন—

  • একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট (সহায়ক কর্মী)
  • সরকার নির্ধারিত দাপ্তরিক ব্যয়
  • একজন মন্ত্রীর সমমানের চিকিৎসাসুবিধা
  • সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিনা মূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার
  • বাসভবনে একটি সরকারি টেলিফোন সংযোগ এবং নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত বিল পরিশোধের সুবিধা
  • একটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট
  • দেশের অভ্যন্তরে সরকারি সার্কিট হাউস ও রেস্টহাউসে বিনা ভাড়ায় থাকার সুযোগ

আইন অনুযায়ী চিকিৎসাসুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্টহাউসে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা তার স্ত্রীও ভোগ করতে পারবেন।

যেসব ক্ষেত্রে সুবিধা বাতিল হতে পারে

আইনে উল্লেখ রয়েছে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়ার পর কেউ যদি সংযুক্ত তহবিল থেকে বেতন বা অন্য সুবিধাপ্রাপ্ত কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাবেন না।

এ ছাড়া নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালতের মাধ্যমে দণ্ডিত হলে কিংবা উচ্চ আদালত যদি ঘোষণা করেন যে তিনি অসাংবিধানিক বা অবৈধ উপায়ে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তাহলে এসব সুবিধার অধিকার বাতিল হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


পদত্যাগের পরও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রাইম প্রতিবেদন 

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিকেল ৫টা ১ মিনিটে স্পিকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলেও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অবসরভাতা, চিকিৎসাসুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।

মাসিক অবসর ভাতা

‘রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির পদে কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করলে বা মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়লে তিনি আজীবন রাষ্ট্রপতির সর্বশেষ মাসিক বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে অবসর ভাতা পাবেন।

বর্তমান আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে মো. সাহাবুদ্দিন মাসে ৯০ হাজার টাকা অবসর ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

আনুতোষিক নেওয়ার সুযোগ

আইন অনুযায়ী, মাসিক অবসর ভাতার পরিবর্তে সাবেক রাষ্ট্রপতি চাইলে এককালীন আনুতোষিক গ্রহণ করতে পারবেন। এ জন্য অবসর ভাতার অধিকার অর্জনের এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। আনুতোষিকের পরিমাণ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ের ওপর নির্ভর করবে এবং আংশিক বছরও পূর্ণ বছর হিসেবে গণ্য হবে।

অন্যান্য সুবিধা

অবসরের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আরও যেসব সুবিধা পাবেন—

  • একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট (সহায়ক কর্মী)
  • সরকার নির্ধারিত দাপ্তরিক ব্যয়
  • একজন মন্ত্রীর সমমানের চিকিৎসাসুবিধা
  • সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিনা মূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার
  • বাসভবনে একটি সরকারি টেলিফোন সংযোগ এবং নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত বিল পরিশোধের সুবিধা
  • একটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট
  • দেশের অভ্যন্তরে সরকারি সার্কিট হাউস ও রেস্টহাউসে বিনা ভাড়ায় থাকার সুযোগ

আইন অনুযায়ী চিকিৎসাসুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্টহাউসে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা তার স্ত্রীও ভোগ করতে পারবেন।

যেসব ক্ষেত্রে সুবিধা বাতিল হতে পারে

আইনে উল্লেখ রয়েছে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়ার পর কেউ যদি সংযুক্ত তহবিল থেকে বেতন বা অন্য সুবিধাপ্রাপ্ত কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাবেন না।

এ ছাড়া নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালতের মাধ্যমে দণ্ডিত হলে কিংবা উচ্চ আদালত যদি ঘোষণা করেন যে তিনি অসাংবিধানিক বা অবৈধ উপায়ে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তাহলে এসব সুবিধার অধিকার বাতিল হবে।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি