ডেস্ক নিউজ ঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম।
বিবৃতিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি মূলত ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত তার শ্বশুরের (দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা) এক ব্যবসায়িক কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ। ওই সিসিটিভি ফুটেজ এডিট করে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে চরিত্রহননের এক হীন অপচেষ্টা।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিময় বেগম এবং নিজস্ব গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর মো.
পরবর্তীতে তারা ভেতরে প্রবেশ করে এমপি ও তার পরিবারের সদস্যদের অহেতুক হেনস্তা করতে শুরু করে এবং নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। সেই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা প্রদান করে তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
সংসদ সদস্য দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তিনি জানতে পেরেছেন যে পুরো ঘটনাটির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার নিজের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি সম্পর্কে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। মূলত শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতা ছিল। সেই পুরোনো আক্রোশ থেকেই এই চক্রান্ত সাজানো হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ তাকে ফোন করে সরাসরি পাঁচ লাখ টাকা এবং শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করেন। সেই দাবি করা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তাদের সামাজিক হেয়প্রতীপন্ন করা ও পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
চাঁদা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ওবায়দুল্লাহ কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেন। এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বিষয়টিকে একটি সম্পূর্ণ সাজানো নাটক এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন। একই সাথে এই চক্রান্তের মূল হোতা ড্রাইভার ওবায়দুল্লাহসহ ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীকে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ডেস্ক নিউজ ঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম।
বিবৃতিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি মূলত ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত তার শ্বশুরের (দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা) এক ব্যবসায়িক কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ। ওই সিসিটিভি ফুটেজ এডিট করে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে চরিত্রহননের এক হীন অপচেষ্টা।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিময় বেগম এবং নিজস্ব গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর মো.
পরবর্তীতে তারা ভেতরে প্রবেশ করে এমপি ও তার পরিবারের সদস্যদের অহেতুক হেনস্তা করতে শুরু করে এবং নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। সেই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা প্রদান করে তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
সংসদ সদস্য দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তিনি জানতে পেরেছেন যে পুরো ঘটনাটির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার নিজের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি সম্পর্কে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। মূলত শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতা ছিল। সেই পুরোনো আক্রোশ থেকেই এই চক্রান্ত সাজানো হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ তাকে ফোন করে সরাসরি পাঁচ লাখ টাকা এবং শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করেন। সেই দাবি করা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তাদের সামাজিক হেয়প্রতীপন্ন করা ও পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
চাঁদা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ওবায়দুল্লাহ কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেন। এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বিষয়টিকে একটি সম্পূর্ণ সাজানো নাটক এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন। একই সাথে এই চক্রান্তের মূল হোতা ড্রাইভার ওবায়দুল্লাহসহ ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীকে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন