পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কঞ্চির খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ কাঁকড়া এবং ৪টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করেছে বন বিভাগ।"'''
সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী ও মৎস্য প্রজনন মৌসুমের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বন কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া খেয়ে বনের ভেতরে পালিয়ে যায় অবৈধ কাঁকড়া আহরণকারী জেলেরা।""'"
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে সব ধরনের সম্পদ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও ক্লোজার পিরিয়ড চলমান রয়েছে। এই নিষিদ্ধ সময়ে একদল জেলে অবৈধভাবে অভয়ারণ্য ও সংরক্ষিত বন এলাকায় প্রবেশ করে কাঁকড়া শিকার করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন কর্মীদের একটি চৌকস দল কঞ্চির খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বন বিভাগের নৌকা কাছাকাছি পৌঁছালে কাঁকড়া শিকারিরা তাদের ডিঙ্গি নৌকা ও আহরিত কাঁকড়া ফেলে দ্রুত গহীন বনে পালিয়ে যায়।"''
পরবর্তীতে বন কর্মীরা ঘটনাস্থল তল্লাশি করে জেলেদের ফেলে যাওয়া ১৭০ কেজি জ্যান্ত কাঁকড়া এবং কাঁকড়া ধরার কাজে ব্যবহৃত ৪টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করে রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। জব্দকৃত কাঁকড়াগুলো সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে পুনরায় বনের ভেতরের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।"''
পশ্চিম সুন্দরবনের বন কর্মকর্তারা জানান, প্রজনন মৌসুমে বনের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বন বিভাগের টহল ও নজরদারি কঠোর করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে যারা বনের আইন অমান্য করে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সম্পদ আহরণের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পলাতক জেলেদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।""###

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কঞ্চির খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ কাঁকড়া এবং ৪টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করেছে বন বিভাগ।"'''
সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী ও মৎস্য প্রজনন মৌসুমের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বন কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া খেয়ে বনের ভেতরে পালিয়ে যায় অবৈধ কাঁকড়া আহরণকারী জেলেরা।""'"
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে সব ধরনের সম্পদ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও ক্লোজার পিরিয়ড চলমান রয়েছে। এই নিষিদ্ধ সময়ে একদল জেলে অবৈধভাবে অভয়ারণ্য ও সংরক্ষিত বন এলাকায় প্রবেশ করে কাঁকড়া শিকার করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন কর্মীদের একটি চৌকস দল কঞ্চির খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বন বিভাগের নৌকা কাছাকাছি পৌঁছালে কাঁকড়া শিকারিরা তাদের ডিঙ্গি নৌকা ও আহরিত কাঁকড়া ফেলে দ্রুত গহীন বনে পালিয়ে যায়।"''
পরবর্তীতে বন কর্মীরা ঘটনাস্থল তল্লাশি করে জেলেদের ফেলে যাওয়া ১৭০ কেজি জ্যান্ত কাঁকড়া এবং কাঁকড়া ধরার কাজে ব্যবহৃত ৪টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করে রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। জব্দকৃত কাঁকড়াগুলো সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে পুনরায় বনের ভেতরের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।"''
পশ্চিম সুন্দরবনের বন কর্মকর্তারা জানান, প্রজনন মৌসুমে বনের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বন বিভাগের টহল ও নজরদারি কঠোর করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে যারা বনের আইন অমান্য করে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সম্পদ আহরণের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পলাতক জেলেদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।""###

আপনার মতামত লিখুন