মোংলা বন্দর ও ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মোংলা নদীতে এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা দুটি ফেরি চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।"""
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকায় মোংলা নদীর ফেরি চলাচল ব্যবস্থা ও ঠাকুরানী খাল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।"""
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুক্রবার থেকে মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টা দুটি ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর আগে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে একটি ফেরি চলত, যাতে মানুষের দুর্ভোগের সীমা ছিল না। ''আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন আরও একটি ফেরি যুক্ত করা হলো। এছাড়া ফেরি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল নিয়মিত খনন করা হবে।"""
তিনি আরও বলেন, ‘আমার নির্বাচনী আরেকটি অঙ্গীকার ছিল মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রধান ঠাকুরানী খালটি উদ্ধার করা। ইতোমধ্যে সে কাজ শুরু হয়েছে। খালের ময়লা পরিষ্কার শেষ, এখন সীমানা পরিমাপের কাজ চলছে। এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ড খালটি খনন করবে।"""
তিনি জানান, ফেরি চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য নদী নিয়মিত খনন করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা পৌর শহরের প্রাণ ঠাকুরানী খাল পরিষ্কার করা হয়েছে; সীমানা শনাক্তের পর খালটি পুনরায় খনন করা হবে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঝুঁকি কমবে।""::
উপজেলা প্রশাসন জানায়, উজবেকিস্তানের সমরখন্দ ও জার্মানির বন সফর শেষে দেশে ফিরেই নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। দেশে ফেরার পর এটিই তার প্রথম মাঠপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।"" সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি প্রথমে মোংলা ফেরিঘাটে পৌঁছান। ''সেখানে ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি এবং যাত্রী পারাপারের সুবিধা-অসুবিধা ঘুরে দেখেন। এরপর তিনি ঠাকুরানী খাল এলাকায় গিয়ে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।""
পরিদর্শনকালে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নুর জনি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনিসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার তাগিদ দেন।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
মোংলা বন্দর ও ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মোংলা নদীতে এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা দুটি ফেরি চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।"""
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকায় মোংলা নদীর ফেরি চলাচল ব্যবস্থা ও ঠাকুরানী খাল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।"""
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুক্রবার থেকে মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টা দুটি ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর আগে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে একটি ফেরি চলত, যাতে মানুষের দুর্ভোগের সীমা ছিল না। ''আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন আরও একটি ফেরি যুক্ত করা হলো। এছাড়া ফেরি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল নিয়মিত খনন করা হবে।"""
তিনি আরও বলেন, ‘আমার নির্বাচনী আরেকটি অঙ্গীকার ছিল মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রধান ঠাকুরানী খালটি উদ্ধার করা। ইতোমধ্যে সে কাজ শুরু হয়েছে। খালের ময়লা পরিষ্কার শেষ, এখন সীমানা পরিমাপের কাজ চলছে। এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ড খালটি খনন করবে।"""
তিনি জানান, ফেরি চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য নদী নিয়মিত খনন করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা পৌর শহরের প্রাণ ঠাকুরানী খাল পরিষ্কার করা হয়েছে; সীমানা শনাক্তের পর খালটি পুনরায় খনন করা হবে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঝুঁকি কমবে।""::
উপজেলা প্রশাসন জানায়, উজবেকিস্তানের সমরখন্দ ও জার্মানির বন সফর শেষে দেশে ফিরেই নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। দেশে ফেরার পর এটিই তার প্রথম মাঠপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।"" সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি প্রথমে মোংলা ফেরিঘাটে পৌঁছান। ''সেখানে ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি এবং যাত্রী পারাপারের সুবিধা-অসুবিধা ঘুরে দেখেন। এরপর তিনি ঠাকুরানী খাল এলাকায় গিয়ে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।""
পরিদর্শনকালে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নুর জনি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনিসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার তাগিদ দেন।

আপনার মতামত লিখুন