বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় এলাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় বারুইপাড়া বাজার থেকে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এসে একটি প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। মিছিলে সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।""
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লা ওয়াহেদ হাবিব, বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মাসুদ এবং সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মান্নান মল্লিকসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের সহস্রাধিক কর্মী-নেতাকর্মী।;;
প্রতিবাদ সভায় বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মান্নান মল্লিক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাদল হত্যা মামলার সকল আসামিকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত বারুইপাড়া ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।""
হত্যাকাণ্ডের শিকার বাদল মোড়লের ছেলে রাশেদ মোড়ল প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, 'আমার বাবার হত্যাকারী যে দলেরই হোক না কেন, আমি তার কঠোর বিচার দেখতে চাই। তবে একই সাথে প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো নিরীহ ও সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হয়।'"
এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত সাড়ে দশটার দিকে বারুইপাড়া এলাকা থেকে মোটরসাইকেল যোগে ফকিরহাট সদরের উদ্দেশ্যে রওনা হন বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়ল। পথে নিয়তির মাঠ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।""
দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বাদল মোড়ল। এ সময় তার সাথে থাকা বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।""
এদিকে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইতোমধ্যে এই মামলার এজাহারনামীয় দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।""

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় এলাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় বারুইপাড়া বাজার থেকে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এসে একটি প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। মিছিলে সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।""
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লা ওয়াহেদ হাবিব, বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মাসুদ এবং সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মান্নান মল্লিকসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের সহস্রাধিক কর্মী-নেতাকর্মী।;;
প্রতিবাদ সভায় বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মান্নান মল্লিক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাদল হত্যা মামলার সকল আসামিকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত বারুইপাড়া ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।""
হত্যাকাণ্ডের শিকার বাদল মোড়লের ছেলে রাশেদ মোড়ল প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, 'আমার বাবার হত্যাকারী যে দলেরই হোক না কেন, আমি তার কঠোর বিচার দেখতে চাই। তবে একই সাথে প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো নিরীহ ও সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হয়।'"
এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত সাড়ে দশটার দিকে বারুইপাড়া এলাকা থেকে মোটরসাইকেল যোগে ফকিরহাট সদরের উদ্দেশ্যে রওনা হন বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়ল। পথে নিয়তির মাঠ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।""
দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বাদল মোড়ল। এ সময় তার সাথে থাকা বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।""
এদিকে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইতোমধ্যে এই মামলার এজাহারনামীয় দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।""

আপনার মতামত লিখুন