পটুয়াখালীর বাউফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাউফল থানা থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে প্রকাশ্যে এই মিছিল ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মনে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকাল ৭টার দিকে বাউফল পৌর শহরের রিকশাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলাবাজার এলাকায় গিয়ে এটি শেষ হয়। ঝটিকা এই মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন, যার নেতৃত্ব দেন বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফারুকের ছেলে এবং বাউফল পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইবনে ফারুক সৌমিক।
মিছিলের ব্যানারে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পূর্ণপ্রতিষ্ঠা, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আ স ম ফিরোজ এমপিসহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। মিছিল চলাকালীন নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনা ও আ স ম ফিরোজের পক্ষে এবং জামায়াত-শিবিরের বিপক্ষে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেন। থানা সংলগ্ন এলাকায় এমন আকস্মিক ঘটনায় স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
পটুয়াখালীর বাউফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাউফল থানা থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে প্রকাশ্যে এই মিছিল ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মনে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকাল ৭টার দিকে বাউফল পৌর শহরের রিকশাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলাবাজার এলাকায় গিয়ে এটি শেষ হয়। ঝটিকা এই মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন, যার নেতৃত্ব দেন বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফারুকের ছেলে এবং বাউফল পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইবনে ফারুক সৌমিক।
মিছিলের ব্যানারে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পূর্ণপ্রতিষ্ঠা, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আ স ম ফিরোজ এমপিসহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। মিছিল চলাকালীন নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনা ও আ স ম ফিরোজের পক্ষে এবং জামায়াত-শিবিরের বিপক্ষে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেন। থানা সংলগ্ন এলাকায় এমন আকস্মিক ঘটনায় স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন