শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মোংলায় কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং দুঃস্থদের মাঝে খাবার ও কাপড় বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকালে পৌর বিএনপির সভাপতির উদ্যোগে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে কোরআন খতম ও মিলাদ-দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার এবং গোলাম নুর জনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. জুলফিকার আলী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময় তাঁর সুটকেসে ছিল একটি পবিত্র কুরআন শরীফ, তসবিহ, জায়নামাজ ও একটি গেঞ্জি। তাঁর বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে কোনো ব্যাংক ব্যালান্স ছিল না। আমরা সেই সৎ, নীতিবান ও আদর্শবান নেতার আদর্শ অনুসরণ করি।
তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন এবং সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেন। তিনি তাঁর কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে আমাদের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রায় দেড় হাজার দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড় বিতরণ করা হয়।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মোংলায় কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং দুঃস্থদের মাঝে খাবার ও কাপড় বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকালে পৌর বিএনপির সভাপতির উদ্যোগে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে কোরআন খতম ও মিলাদ-দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার এবং গোলাম নুর জনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. জুলফিকার আলী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময় তাঁর সুটকেসে ছিল একটি পবিত্র কুরআন শরীফ, তসবিহ, জায়নামাজ ও একটি গেঞ্জি। তাঁর বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে কোনো ব্যাংক ব্যালান্স ছিল না। আমরা সেই সৎ, নীতিবান ও আদর্শবান নেতার আদর্শ অনুসরণ করি।
তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন এবং সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেন। তিনি তাঁর কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে আমাদের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রায় দেড় হাজার দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড় বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন