স্বাধীন দেশে থেকেও আজ পর্যন্ত মাথা গোঁজার ঠাঁই পাইনি”—এমন হৃদয়বিদারক আর্তনাদ এখনো বহন করে চলেছে বাংলাদেশের অসংখ্য ভূমিহীন পরিবার। মানিকগঞ্জ জেলার দিঘী ইউনিয়নের মুলজান এলাকার এক অসহায় পরিবারের ছোট্ট শিশুর ছবি ও আকুতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ছবিতে দেখা যায়, ছোট্ট একটি শিশু হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মুখে হাসি থাকলেও তার পরিবারের বাস্তবতা অত্যন্ত নির্মম। নিজের নামে এক টুকরো জমি নেই, নেই স্থায়ী আশ্রয়। অন্যের জায়গায় কিংবা অস্থায়ী ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে তাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুধু এই পরিবার নয়—এলাকার অনেক অসহায় মানুষ বছরের পর বছর ধরে ভূমিহীন অবস্থায় জীবনযাপন করছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপদ বাসস্থানের অভাবে শিশুদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বাড়ে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই মাথার উপর নিরাপদ ছাদ না থাকার ভয় তাড়া করে তাদের।
ভূমিহীন মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে উজ্জ্বল বাছাড় নামের এক ব্যক্তি বলেন,
“আমরাও এই দেশের নাগরিক। আমাদেরও স্বপ্ন আছে—একটি ছোট্ট ঘর, নিরাপদ আশ্রয় আর সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার। কিন্তু বছরের পর বছর শুধু আশ্বাসই শুনে যাচ্ছি।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই শিশুর ছবি ইতোমধ্যে অনেক মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। অনেকে মন্তব্য করছেন, উন্নয়নের এই সময়ে এখনো কেন হাজারো মানুষ ভূমিহীন থাকবে—এ প্রশ্ন রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে বড় এক বিবেকের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভুক্তভোগীরা আশা করছেন, গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ হবে এবং অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচেতন মহল মনে করছে, ভূমিহীন মানুষের সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ বাসস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে পারে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
স্বাধীন দেশে থেকেও আজ পর্যন্ত মাথা গোঁজার ঠাঁই পাইনি”—এমন হৃদয়বিদারক আর্তনাদ এখনো বহন করে চলেছে বাংলাদেশের অসংখ্য ভূমিহীন পরিবার। মানিকগঞ্জ জেলার দিঘী ইউনিয়নের মুলজান এলাকার এক অসহায় পরিবারের ছোট্ট শিশুর ছবি ও আকুতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ছবিতে দেখা যায়, ছোট্ট একটি শিশু হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মুখে হাসি থাকলেও তার পরিবারের বাস্তবতা অত্যন্ত নির্মম। নিজের নামে এক টুকরো জমি নেই, নেই স্থায়ী আশ্রয়। অন্যের জায়গায় কিংবা অস্থায়ী ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে তাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুধু এই পরিবার নয়—এলাকার অনেক অসহায় মানুষ বছরের পর বছর ধরে ভূমিহীন অবস্থায় জীবনযাপন করছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপদ বাসস্থানের অভাবে শিশুদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বাড়ে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই মাথার উপর নিরাপদ ছাদ না থাকার ভয় তাড়া করে তাদের।
ভূমিহীন মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে উজ্জ্বল বাছাড় নামের এক ব্যক্তি বলেন,
“আমরাও এই দেশের নাগরিক। আমাদেরও স্বপ্ন আছে—একটি ছোট্ট ঘর, নিরাপদ আশ্রয় আর সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার। কিন্তু বছরের পর বছর শুধু আশ্বাসই শুনে যাচ্ছি।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই শিশুর ছবি ইতোমধ্যে অনেক মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। অনেকে মন্তব্য করছেন, উন্নয়নের এই সময়ে এখনো কেন হাজারো মানুষ ভূমিহীন থাকবে—এ প্রশ্ন রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে বড় এক বিবেকের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভুক্তভোগীরা আশা করছেন, গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ হবে এবং অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচেতন মহল মনে করছে, ভূমিহীন মানুষের সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ বাসস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন