বাগেরহাটের মোংলা নদীতে দুটি ট্রলারের সংঘর্ষে অন্তত ৭ থেকে ৮ জন ইপিজেড শ্রমিক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নদীর ব্যস্ত নৌপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ট্রলার মাঝিরা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছেন। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও দাবি তাদের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইপিজেড শ্রমিক বহনকারী ট্রলারটি মোংলা ইপিজেড এলাকা থেকে ফেরার পথে অপর একটি ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী নদীতে ছিটকে পড়েন।
ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে নামে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহবুব হাসান আমার দেশকে জানান,
“দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।”
অন্যদিকে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়,
“নদীতে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।”
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ৭-৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন— অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অনিয়ন্ত্রিত ট্রলার চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কবে নিশ্চিত হবে?

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলা নদীতে দুটি ট্রলারের সংঘর্ষে অন্তত ৭ থেকে ৮ জন ইপিজেড শ্রমিক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নদীর ব্যস্ত নৌপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ট্রলার মাঝিরা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছেন। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও দাবি তাদের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইপিজেড শ্রমিক বহনকারী ট্রলারটি মোংলা ইপিজেড এলাকা থেকে ফেরার পথে অপর একটি ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী নদীতে ছিটকে পড়েন।
ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে নামে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহবুব হাসান আমার দেশকে জানান,
“দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।”
অন্যদিকে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়,
“নদীতে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।”
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ৭-৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন— অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অনিয়ন্ত্রিত ট্রলার চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কবে নিশ্চিত হবে?

আপনার মতামত লিখুন