র্যালি শেষ, উৎসবের আমেজের মধ্যেই পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমে পড়লেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নগরীর সড়ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমে পড়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। নগরবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে দিনভর দায়িত্ব পালনের পরও উৎসব শেষে মুহূর্তের মধ্যেই রাস্তায় নেমে যান তারা।
র্যালিতে অংশ নেওয়া মানুষের পদচারণায় নগরীর বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা কাগজ, প্লাস্টিক, ব্যানারসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেন চসিকের সেবকরা। তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক সড়ক ফিরে পায় পরিচ্ছন্ন ও স্বাভাবিক পরিবেশ।
নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এসব কর্মী প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। নগরবাসীর স্বস্তি, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সুন্দর চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে তাদের এই শ্রম অনেক সময়ই থাকে আড়ালে। অথচ নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি তারাই নিরলসভাবে পালন করে চলেছেন।
ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন শেষে দ্রুততম সময়ে সড়ক পরিষ্কার করার এই উদ্যোগ চসিকের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলতা ও জনসেবার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন নগরবাসী।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
র্যালি শেষ, উৎসবের আমেজের মধ্যেই পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমে পড়লেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নগরীর সড়ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমে পড়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। নগরবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে দিনভর দায়িত্ব পালনের পরও উৎসব শেষে মুহূর্তের মধ্যেই রাস্তায় নেমে যান তারা।
র্যালিতে অংশ নেওয়া মানুষের পদচারণায় নগরীর বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা কাগজ, প্লাস্টিক, ব্যানারসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেন চসিকের সেবকরা। তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক সড়ক ফিরে পায় পরিচ্ছন্ন ও স্বাভাবিক পরিবেশ।
নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এসব কর্মী প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। নগরবাসীর স্বস্তি, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সুন্দর চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে তাদের এই শ্রম অনেক সময়ই থাকে আড়ালে। অথচ নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি তারাই নিরলসভাবে পালন করে চলেছেন।
ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন শেষে দ্রুততম সময়ে সড়ক পরিষ্কার করার এই উদ্যোগ চসিকের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলতা ও জনসেবার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন নগরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন