প্রাইম টিভি
প্রকাশ : শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

(মোঃরিদুওয়ানুল হক, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান) 

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন সিভিক সেন্টারে “মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে সম্মিলিত অঙ্গীকার” প্রতিপাদ্যে এ সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রশাসন, পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা, আইনজীবী,শিক্ষক-শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন মাজীদ থেকে তেলাওয়াত, পবিত্র গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল থেকে পাঠের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সর্বজনীন মূল্যবোধের বার্তা তুলে ধরা হয়।


চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো: মাসুদ আলম, বিপিএম স্বাগত বক্তব্যে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, মাদক একটি ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা নয়; এটি সমাজ, আইনশৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় হুমকি। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।

সমাবেশে সম্মানিত বিশেষ অতিথিবৃন্দ মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার, মাদকের চাহিদা কমানো, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের বিরুদ্ধে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি জনাব আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকের চাহিদা সৃষ্টির কারণগুলোও মোকাবিলা করতে হবে।


প্রধান অতিথি জনাব ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে শুধু অভিযান ও গ্রেপ্তার যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সচেতনতা, প্রতিরোধ, পারিবারিক বন্ধন, নৈতিক শিক্ষা, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অঙ্গীকার

সমাবেশ থেকে মাদককে সামাজিকভাবে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং পরিবারভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান হবে সম্মিলিত, প্রতিরোধ হবে সামাজিক এবং অভিযান হবে আইনানুগ ও ধারাবাহিক।

পরবর্তীতে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত র‍্যালিতে পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালির মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং মাদকমুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার আহ্বান জানানো হয়।


মাদকের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাদকমুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image



(মোঃরিদুওয়ানুল হক, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান) 


মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন সিভিক সেন্টারে “মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে সম্মিলিত অঙ্গীকার” প্রতিপাদ্যে এ সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


সমাবেশে প্রশাসন, পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা, আইনজীবী,শিক্ষক-শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন মাজীদ থেকে তেলাওয়াত, পবিত্র গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল থেকে পাঠের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সর্বজনীন মূল্যবোধের বার্তা তুলে ধরা হয়।



চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো: মাসুদ আলম, বিপিএম স্বাগত বক্তব্যে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, মাদক একটি ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা নয়; এটি সমাজ, আইনশৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় হুমকি। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।


সমাবেশে সম্মানিত বিশেষ অতিথিবৃন্দ মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার, মাদকের চাহিদা কমানো, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের বিরুদ্ধে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি জনাব আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকের চাহিদা সৃষ্টির কারণগুলোও মোকাবিলা করতে হবে।




প্রধান অতিথি জনাব ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।


সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে শুধু অভিযান ও গ্রেপ্তার যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সচেতনতা, প্রতিরোধ, পারিবারিক বন্ধন, নৈতিক শিক্ষা, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অঙ্গীকার


সমাবেশ থেকে মাদককে সামাজিকভাবে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং পরিবারভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান হবে সম্মিলিত, প্রতিরোধ হবে সামাজিক এবং অভিযান হবে আইনানুগ ও ধারাবাহিক।


পরবর্তীতে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত র‍্যালিতে পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালির মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং মাদকমুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার আহ্বান জানানো হয়।



মাদকের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাদকমুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি