মোঃ ইমরান মোল্লা :
ঢাকার সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের গান্ধারিয়া এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মিজান (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৪ আগস্ট ২০২৬ রাতে সাভার মডেল থানাধীন ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিলের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের দাবি, ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের জিডি নং-১৩২, তারিখ-১৪/০৮/২০২৬-এর ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনকালে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সাধাপুর কাজীপাড়া মোড়ে অবস্থান করার সময় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, সাভার মডেল থানাধীন গান্ধারিয়া গ্রামের লেকসিটি হাউজিংয়ের সামনে পাকা রাস্তায় এক ব্যক্তি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে লেকসিটি হাউজিংয়ের মূল গেটের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের সামনের ডান পকেট থেকে একটি স্বচ্ছ সাদা জিপার পলিথিনে থাকা ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রে ইয়াবাগুলোর মোট ওজন পাওয়া যায় ২.৩০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬ হাজার ৯০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা বাদশা মিয়া, ডালিম আলী মিয়াসহ অন্যান্যদের সাক্ষী রাখা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইমরান হোসেন প্রাইম টেলিভিশনকে জানান, আটক মিজানকে পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সাভার থানাধীন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আটক মিজানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ৩৬(১) ধারার টেবিলের ১০(ক) অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে পুলিশের এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্রেপ্তার মিজানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও তার দায় আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
মোঃ ইমরান মোল্লা :
ঢাকার সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের গান্ধারিয়া এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মিজান (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৪ আগস্ট ২০২৬ রাতে সাভার মডেল থানাধীন ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিলের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের দাবি, ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের জিডি নং-১৩২, তারিখ-১৪/০৮/২০২৬-এর ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনকালে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সাধাপুর কাজীপাড়া মোড়ে অবস্থান করার সময় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, সাভার মডেল থানাধীন গান্ধারিয়া গ্রামের লেকসিটি হাউজিংয়ের সামনে পাকা রাস্তায় এক ব্যক্তি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে লেকসিটি হাউজিংয়ের মূল গেটের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের সামনের ডান পকেট থেকে একটি স্বচ্ছ সাদা জিপার পলিথিনে থাকা ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রে ইয়াবাগুলোর মোট ওজন পাওয়া যায় ২.৩০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬ হাজার ৯০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা বাদশা মিয়া, ডালিম আলী মিয়াসহ অন্যান্যদের সাক্ষী রাখা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইমরান হোসেন প্রাইম টেলিভিশনকে জানান, আটক মিজানকে পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সাভার থানাধীন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আটক মিজানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ৩৬(১) ধারার টেবিলের ১০(ক) অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে পুলিশের এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্রেপ্তার মিজানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও তার দায় আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন