বিপ্লব মল্লিক, মোংলা, বাগেরহাট
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বাগেরহাট জেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনপত্রের অনুলিপি মোংলা উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও মোংলা থানাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে সংগঠনটির বাগেরহাট জেলা সভাপতি মোঃ বাবুল হাওলাদারের নেতৃত্বে মোংলা উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ অনুলিপি প্রদান করা হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর বাগেরহাট জেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করতেই এ অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
অনুমোদিত কমিটিতে মোঃ বাবুল হাওলাদার সভাপতি, রেজাউল করিম রতন, সর্দার বদিউর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান সহসভাপতি এবং জাহিদুল বালী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। নাজমুল হাওলাদার ও মেহেদী হাসান সহসাধারণ সম্পাদক, আশা শেখ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং রুমী ফকির সহসাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন।
এ ছাড়া টুটুল মোল্লা দপ্তর সম্পাদক, আলী খান সহদপ্তর সম্পাদক, মোদাচ্ছের হাওলাদার আইনবিষয়ক সম্পাদক, মিজানুর ফকির কোষাধ্যক্ষ, পানা বেগম মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, পারভীন বেগম সমাজকল্যাণ সম্পাদক, দেলোয়ার শেখ মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক এবং সাইফুল সরদার সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, অধিকার আদায় এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচেতনতা তৈরিতে জেলা কমিটি কাজ করবে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন থেকে জেলেদের বিরত রাখা এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, “জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সরকারি আইন ও নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।”
মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলে সংগঠনগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন বন্ধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে জেলেদের আরও সচেতন করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংগঠনটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।”
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বাগেরহাট জেলা সভাপতি মোঃ বাবুল হাওলাদার বলেন, “বাগেরহাটের জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করাই জেলা কমিটির মূল লক্ষ্য। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে কমিটির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে জেলে সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক, মোংলা, বাগেরহাট
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বাগেরহাট জেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনপত্রের অনুলিপি মোংলা উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও মোংলা থানাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে সংগঠনটির বাগেরহাট জেলা সভাপতি মোঃ বাবুল হাওলাদারের নেতৃত্বে মোংলা উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ অনুলিপি প্রদান করা হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর বাগেরহাট জেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করতেই এ অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
অনুমোদিত কমিটিতে মোঃ বাবুল হাওলাদার সভাপতি, রেজাউল করিম রতন, সর্দার বদিউর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান সহসভাপতি এবং জাহিদুল বালী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। নাজমুল হাওলাদার ও মেহেদী হাসান সহসাধারণ সম্পাদক, আশা শেখ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং রুমী ফকির সহসাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন।
এ ছাড়া টুটুল মোল্লা দপ্তর সম্পাদক, আলী খান সহদপ্তর সম্পাদক, মোদাচ্ছের হাওলাদার আইনবিষয়ক সম্পাদক, মিজানুর ফকির কোষাধ্যক্ষ, পানা বেগম মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, পারভীন বেগম সমাজকল্যাণ সম্পাদক, দেলোয়ার শেখ মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক এবং সাইফুল সরদার সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, অধিকার আদায় এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচেতনতা তৈরিতে জেলা কমিটি কাজ করবে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন থেকে জেলেদের বিরত রাখা এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, “জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সরকারি আইন ও নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।”
মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলে সংগঠনগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন বন্ধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে জেলেদের আরও সচেতন করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংগঠনটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।”
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বাগেরহাট জেলা সভাপতি মোঃ বাবুল হাওলাদার বলেন, “বাগেরহাটের জেলে ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করাই জেলা কমিটির মূল লক্ষ্য। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে কমিটির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে জেলে সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন