প্রাইম টিভি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মান্দায় ৫ মাদ্রাসায় শতভাগ ফেল, পাস করেনি ৫৬ পরীক্ষার্থীর কেউ

মান্দায় ৫ মাদ্রাসায় শতভাগ ফেল, পাস করেনি ৫৬ পরীক্ষার্থীর কেউ


আরিফ হোসেন মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: 

নওগাঁর মান্দা উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসায় দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় চরম ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৬ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্যের ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারের দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসা থেকে মোট ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। রামনগর দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন, চকদেবিরাম আলিম মাদ্রাসায় ১৫ জন এবং চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেনি। এছাড়া এলেঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হলে তারা শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও অভিভাবকদের অসচেতনতাকে দায়ী করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষক জানান, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত হতো না। বাসায়ও তারা নিয়মিত পড়াশোনা করত না। শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক শিক্ষার্থী তা গুরুত্ব দিত না। পাশাপাশি অভিভাবকদের উদাসীনতার কারণেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ কমেছে বলে দাবি করেন তারা।

তবে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মতে, ফল বিপর্যয়ের দায় শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং পাঠদান কার্যক্রমও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তারা এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং ফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


মান্দায় ৫ মাদ্রাসায় শতভাগ ফেল, পাস করেনি ৫৬ পরীক্ষার্থীর কেউ

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image


আরিফ হোসেন মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: 

নওগাঁর মান্দা উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসায় দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় চরম ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৬ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্যের ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারের দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসা থেকে মোট ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। রামনগর দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন, চকদেবিরাম আলিম মাদ্রাসায় ১৫ জন এবং চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেনি। এছাড়া এলেঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হলে তারা শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও অভিভাবকদের অসচেতনতাকে দায়ী করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষক জানান, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত হতো না। বাসায়ও তারা নিয়মিত পড়াশোনা করত না। শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক শিক্ষার্থী তা গুরুত্ব দিত না। পাশাপাশি অভিভাবকদের উদাসীনতার কারণেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ কমেছে বলে দাবি করেন তারা।

তবে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মতে, ফল বিপর্যয়ের দায় শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং পাঠদান কার্যক্রমও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তারা এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং ফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি