ওমর ফারুক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শাশুড়ির ঘরে থাকা জমি বিক্রির ২০ লাখ টাকা চুরির অভিযোগে হওয়া মামলায় ভুক্তভোগী নারীর আপন বোনজামাইসহ দুইজনকে জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে বিকেলে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলা শহরের বটতলাহাট এলাকার অ্যাড. নাসিরুল হক নাসিরের ছেলে ও ভুক্তভোগী নারীর বোনজামাই সামিউল হক মাহি (২১) ও একই এলাকার জামিউল হোসেন জানির ছেলে সাব্বির হোসেন নূর (২০)। বটতলাহাট কালিগঞ্জ বাবুপাড়ার প্রবাসী রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোসা. খালেদার ঘর থেকে তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকা চুরির মামলায় প্রধান আসামী গ্রেপ্তারকৃত সামিউল হক মাহি।
মামলার নথি, ভুক্তভোগী নারী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খালা শাশুড়ি খালেদার বাড়িতেই থাকতেন জামাই সামিউল হক মাহি। গত ২০ জুন সকাল ৮টার পর বাড়ির সকলে দাওয়াত খেতে আত্বীয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে স্টেশন থেকে জরুরি কাজ আছে বলে ফিরে যান জামাই সামিউল হক মাহি। এদিকে, দাওয়াতে খালেদা ও তার বোনের মেয়েসহ বাড়ির সকলে চলে যান। খালেদার অভিযোগ, সবাই দাওয়াতে যাওয়ার সুবাদে বন্ধু নূরকে নিয়ে বাড়ি থেকে টাকাগুলো চুরি করে মাহি। এমনকি সেই সময়ে বাড়ি থেকে একটি ব্যাগে করে টাকাগুলো তাদের দুজনকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরায়।
এ ঘটনায় জামাই সামিউল হক মাহি ও তার বন্ধু সাব্বির হোসেন নূরের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন শাশুড়ী মোসা. খালেদা। এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা নথিভুক্ত করে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে টাকা চুরির ঘটনার পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে নানারকম হুমকি-ধামকি ও বিরূপ মন্তব্য করেন আইনজীবীপুত্র সামিউল হক মাহি। এসময় মাহি "৪ দিনে ৯৬ ঘন্টা হয়ে গেল, প্রচুর লাফালাফি করে বেড়ালি", কি ব্যাপার ৬ দিন সমান ১৪৪ ঘণ্টা, আমার কিছুই করতে পারবি না, আমি ঘুরে ফিরে বেড়াই" এমন মন্তব্য করেন ফেসবুকে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, ঘরের মধ্যে থেকে ২০ লাখ টাকা চুরির মামলার এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে এঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
ওমর ফারুক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শাশুড়ির ঘরে থাকা জমি বিক্রির ২০ লাখ টাকা চুরির অভিযোগে হওয়া মামলায় ভুক্তভোগী নারীর আপন বোনজামাইসহ দুইজনকে জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে বিকেলে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলা শহরের বটতলাহাট এলাকার অ্যাড. নাসিরুল হক নাসিরের ছেলে ও ভুক্তভোগী নারীর বোনজামাই সামিউল হক মাহি (২১) ও একই এলাকার জামিউল হোসেন জানির ছেলে সাব্বির হোসেন নূর (২০)। বটতলাহাট কালিগঞ্জ বাবুপাড়ার প্রবাসী রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোসা. খালেদার ঘর থেকে তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকা চুরির মামলায় প্রধান আসামী গ্রেপ্তারকৃত সামিউল হক মাহি।
মামলার নথি, ভুক্তভোগী নারী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খালা শাশুড়ি খালেদার বাড়িতেই থাকতেন জামাই সামিউল হক মাহি। গত ২০ জুন সকাল ৮টার পর বাড়ির সকলে দাওয়াত খেতে আত্বীয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে স্টেশন থেকে জরুরি কাজ আছে বলে ফিরে যান জামাই সামিউল হক মাহি। এদিকে, দাওয়াতে খালেদা ও তার বোনের মেয়েসহ বাড়ির সকলে চলে যান। খালেদার অভিযোগ, সবাই দাওয়াতে যাওয়ার সুবাদে বন্ধু নূরকে নিয়ে বাড়ি থেকে টাকাগুলো চুরি করে মাহি। এমনকি সেই সময়ে বাড়ি থেকে একটি ব্যাগে করে টাকাগুলো তাদের দুজনকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরায়।
এ ঘটনায় জামাই সামিউল হক মাহি ও তার বন্ধু সাব্বির হোসেন নূরের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন শাশুড়ী মোসা. খালেদা। এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা নথিভুক্ত করে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে টাকা চুরির ঘটনার পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে নানারকম হুমকি-ধামকি ও বিরূপ মন্তব্য করেন আইনজীবীপুত্র সামিউল হক মাহি। এসময় মাহি "৪ দিনে ৯৬ ঘন্টা হয়ে গেল, প্রচুর লাফালাফি করে বেড়ালি", কি ব্যাপার ৬ দিন সমান ১৪৪ ঘণ্টা, আমার কিছুই করতে পারবি না, আমি ঘুরে ফিরে বেড়াই" এমন মন্তব্য করেন ফেসবুকে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, ঘরের মধ্যে থেকে ২০ লাখ টাকা চুরির মামলার এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে এঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন