প্রাইম টিভি
প্রকাশ : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

খুলনায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বহুমুখী উদ্যোগ: নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনে দৃষ্টান্ত

খুলনায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বহুমুখী উদ্যোগ: নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনে দৃষ্টান্ত

শেখ শাহিন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি

নারী নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয় এর রেলিগেট দৌলতপুর শাখা , খুলনা। নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও মীমাংসার উদ্যোগের পাশাপাশি অসহায় নারীদের জন্য রয়েছে পুনর্বাসন সহায়তা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

সম্প্রতি দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত একটি বিরোধেরও মীমাংসা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারীর হাতে দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ৯০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে দাম্পত্য বিরোধের নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান এবং সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল আলম। তাদের উপস্থিতিতেই ভুক্তভোগী নারীর হাতে মীমাংসার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান বলেন

“নারী নির্যাতনের শিকার কোনো নারী যেন অসহায় হয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই আমাদের নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করে তোলার জন্যও আমরা কাজ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব অসহায় নারীর পাশে সহযোগিতা করার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য ছয় মাসের পুনর্বাসন সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি দর্জি কাজসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রশিক্ষণ শেষে তারা নিজেরাই আয় করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।”

সংশ্লিষ্টরা জানান, নারী নির্যাতনের অভিযোগ নিষ্পত্তির পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নারী নির্যাতন সহায়তা সেল, পুনর্বাসন সহায়তা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ—এই কার্যক্রমগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে দর্জি কাজের মতো বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক নারী ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ তৈরি করতে পারেন। এতে পরিবারে তাদের আর্থিক অবদান বাড়ার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পায়।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনা-এর কর্মকর্তারা বলছেন, নারীকে শুধু সহায়তা নয়—দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী করে তোলাই এসব কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য।

যে সেবাগুলো দেওয়া হচ্ছে

নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে সহযোগিতা ও পরামর্শ

পারিবারিক ও দাম্পত্য বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ

দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের ছয় মাসের পুনর্বাসন সহায়তা

দর্জি কাজসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ

নারীদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা এবং অসহায় নারীদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের এই কার্যক্রম সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


খুলনায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বহুমুখী উদ্যোগ: নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনে দৃষ্টান্ত

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেখ শাহিন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি


নারী নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয় এর রেলিগেট দৌলতপুর শাখা , খুলনা। নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও মীমাংসার উদ্যোগের পাশাপাশি অসহায় নারীদের জন্য রয়েছে পুনর্বাসন সহায়তা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

সম্প্রতি দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত একটি বিরোধেরও মীমাংসা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারীর হাতে দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ৯০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে দাম্পত্য বিরোধের নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান এবং সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল আলম। তাদের উপস্থিতিতেই ভুক্তভোগী নারীর হাতে মীমাংসার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান বলেন

“নারী নির্যাতনের শিকার কোনো নারী যেন অসহায় হয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই আমাদের নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করে তোলার জন্যও আমরা কাজ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব অসহায় নারীর পাশে সহযোগিতা করার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য ছয় মাসের পুনর্বাসন সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি দর্জি কাজসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রশিক্ষণ শেষে তারা নিজেরাই আয় করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।”

সংশ্লিষ্টরা জানান, নারী নির্যাতনের অভিযোগ নিষ্পত্তির পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নারী নির্যাতন সহায়তা সেল, পুনর্বাসন সহায়তা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ—এই কার্যক্রমগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে দর্জি কাজের মতো বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক নারী ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ তৈরি করতে পারেন। এতে পরিবারে তাদের আর্থিক অবদান বাড়ার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পায়।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনা-এর কর্মকর্তারা বলছেন, নারীকে শুধু সহায়তা নয়—দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী করে তোলাই এসব কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য।

যে সেবাগুলো দেওয়া হচ্ছে

নারী নির্যাতন সহায়তা সেলের মাধ্যমে সহযোগিতা ও পরামর্শ

পারিবারিক ও দাম্পত্য বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ

দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের ছয় মাসের পুনর্বাসন সহায়তা

দর্জি কাজসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ

নারীদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা এবং অসহায় নারীদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের এই কার্যক্রম সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি