২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ কমার পাশাপাশি পাসের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। এ বছর সারা দেশে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী, বিপরীতে ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে কৃতকার্য হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং অকৃতকার্য (ফেল) হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এ বছর সামগ্রিক ফলাফলেই ধস লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশ। পাশাপাশি গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী, অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও ২২ হাজার ৩৫৬ জন কমেছে।
ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ফলাফলের পুনর্বিবেচনার জন্য আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ কমার পাশাপাশি পাসের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। এ বছর সারা দেশে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী, বিপরীতে ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে কৃতকার্য হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং অকৃতকার্য (ফেল) হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এ বছর সামগ্রিক ফলাফলেই ধস লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশ। পাশাপাশি গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী, অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও ২২ হাজার ৩৫৬ জন কমেছে।
ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ফলাফলের পুনর্বিবেচনার জন্য আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন