শেখ শাহিন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি
খুলনায় দেনমোহর ও ভরণপোষণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এ বিরোধের মীমাংসা করা হয়।
মীমাংসার অংশ হিসেবে ভুক্তভোগী নারীর হাতে দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ৯০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেনমোহর ও ভরণপোষণের পাওনা নিয়ে ভুক্তভোগী নারী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মীমাংসার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা ও ৯০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
অর্থ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান এবং সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল আলম। তাদের উপস্থিতিতেই ভুক্তভোগী নারীর হাতে মীমাংসার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিত মীমাংসার মাধ্যমে দাম্পত্য বিরোধেরও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি হওয়ায় ভুক্তভোগী নারী তার পাওনা অর্থের একটি অংশ হাতে পেয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধেরও অবসান ঘটেছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
শেখ শাহিন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি
খুলনায় দেনমোহর ও ভরণপোষণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এ বিরোধের মীমাংসা করা হয়।
মীমাংসার অংশ হিসেবে ভুক্তভোগী নারীর হাতে দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ৯০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেনমোহর ও ভরণপোষণের পাওনা নিয়ে ভুক্তভোগী নারী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মীমাংসার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা ও ৯০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
অর্থ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজগর আলী খান এবং সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল আলম। তাদের উপস্থিতিতেই ভুক্তভোগী নারীর হাতে মীমাংসার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিত মীমাংসার মাধ্যমে দাম্পত্য বিরোধেরও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি হওয়ায় ভুক্তভোগী নারী তার পাওনা অর্থের একটি অংশ হাতে পেয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধেরও অবসান ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন