রোববার (৮ আগস্ট) সকালে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক চিত্র দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি চাঁদপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নুর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসার জন্য শহরে যেতে বাধ্য না হন, সে লক্ষ্যেই স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।” এ জন্য গ্রামাঞ্চলে ‘হেলথ হাব’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ খাতে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি। ফলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নানা দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। ওই সময়ে অতিরিক্ত দামে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করেন তিনি।
হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দুর্বলতা সামনে আসে। সরকারি এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবার মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের পর জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৮ আগস্ট) সকালে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক চিত্র দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি চাঁদপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নুর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসার জন্য শহরে যেতে বাধ্য না হন, সে লক্ষ্যেই স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।” এ জন্য গ্রামাঞ্চলে ‘হেলথ হাব’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ খাতে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি। ফলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নানা দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। ওই সময়ে অতিরিক্ত দামে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করেন তিনি।
হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দুর্বলতা সামনে আসে। সরকারি এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবার মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের পর জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন