আবদুর রাজ্জাক এর রিপোর্ট
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১০.৩০ টার দিকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে মাতারবাড়ী হেলিপ্যাডে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা। হেলিকপ্টার অবতরণের পর স্থানীয় সংসদ সদস্য আলমগীর ফরিদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে সকাল সোয়া ৯টায় হেলিকপ্টারে করে তিনি মাতারবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প, মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যান। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন তিনি।
মাতারবাড়ীতে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক, বর্তমান অবস্থা, পরিচালনাগত বিষয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে অবহিত করেন। পরে তিনি প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মাতারবাড়ী ও মহেশখালীজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের ফলে মাতারবাড়ীর চলমান মেগা প্রকল্পগুলো আরও গতিশীল হবে এবং এসব প্রকল্পের সুফল স্থানীয় জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি, বিদ্যমান অবকাঠামো, প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সরেজমিন ধারণা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তাদের আশা, গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য মেগা প্রকল্পের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে মাতারবাড়ী ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, বাণিজ্য ও আধুনিক যোগাযোগের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে এবং এর সুফল পৌঁছাবে মহেশখালী-মাতারবাড়ীর সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
আবদুর রাজ্জাক এর রিপোর্ট
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১০.৩০ টার দিকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে মাতারবাড়ী হেলিপ্যাডে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা। হেলিকপ্টার অবতরণের পর স্থানীয় সংসদ সদস্য আলমগীর ফরিদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে সকাল সোয়া ৯টায় হেলিকপ্টারে করে তিনি মাতারবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প, মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যান। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন তিনি।
মাতারবাড়ীতে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক, বর্তমান অবস্থা, পরিচালনাগত বিষয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে অবহিত করেন। পরে তিনি প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মাতারবাড়ী ও মহেশখালীজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের ফলে মাতারবাড়ীর চলমান মেগা প্রকল্পগুলো আরও গতিশীল হবে এবং এসব প্রকল্পের সুফল স্থানীয় জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি, বিদ্যমান অবকাঠামো, প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সরেজমিন ধারণা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তাদের আশা, গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য মেগা প্রকল্পের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে মাতারবাড়ী ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, বাণিজ্য ও আধুনিক যোগাযোগের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে এবং এর সুফল পৌঁছাবে মহেশখালী-মাতারবাড়ীর সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে।

আপনার মতামত লিখুন