বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীগঞ্জ বেরুয়াইল গ্রামের একটি মৎস্য খামার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত অনিক মিয়া ওই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে পুলিশের চাকরি ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে মাছ চাষ শুরু করেন অনিক মিয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিদিনের মতো খামারের পাশে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান তিনি। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খামারে গিয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করেন।
এ সময় খামারের পাশে কাটা ঘাস এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খামারের আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পানিতে অনিক মিয়ার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীগঞ্জ বেরুয়াইল গ্রামের একটি মৎস্য খামার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত অনিক মিয়া ওই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে পুলিশের চাকরি ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে মাছ চাষ শুরু করেন অনিক মিয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিদিনের মতো খামারের পাশে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান তিনি। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খামারে গিয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করেন।
এ সময় খামারের পাশে কাটা ঘাস এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খামারের আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পানিতে অনিক মিয়ার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন