আবদুর রাজ্জাক, ব্যুরো প্রধান, কক্সবাজার।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুঝুঁকিতে থাকা এক প্রসূতির জীবন রক্ষায় সাহসী ও সময়োপযোগী চিকিৎসা দিয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কক্সবাজারের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমি।
জানা গেছে, প্রসূতি কাজল রেখা গুরুতর শারীরিক অবস্থায় একাধিক হাসপাতালে নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। পরে তাকে চট্টগ্রামে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। তবে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় পথেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় পরিবার চরম উদ্বেগে পড়ে।
এমন সংকটময় মুহূর্তে রোগীর অবস্থা নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করে দ্রুত জরুরি সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন ডা. আরিফা মেহের রুমি। অস্ত্রোপচারের সময় ও পরবর্তী চিকিৎসায় প্রসূতিকে চার ব্যাগ রক্ত সঞ্চালনসহ নিবিড় পরিচর্যা দেওয়া হয়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন প্রসূতি। একই সঙ্গে নবজাতকও সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রসূতি কাজল রেখার স্বামী খোরশেদ আলম বলেন, “আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল। বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও চিকিৎসা পাইনি। শেষ পর্যন্ত ডা. আরিফা মেহের রুমি ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত না নিলে হয়তো আমার স্ত্রীকে আর বাঁচানো সম্ভব হতো না। তাঁর দক্ষতা, আন্তরিকতা ও মানবিকতার কাছে আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ।”
চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের মতে, সংকটাপন্ন রোগীর ক্ষেত্রে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণই অনেক সময় জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান গড়ে দেয়। ডা. আরিফা মেহের রুমির সাহসিকতা, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা শুধু একজন প্রসূতির জীবনই নয়, একটি পরিবারের স্বপ্নও রক্ষা করেছে।
এ ধরনের মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসাসেবা চিকিৎসকদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
আবদুর রাজ্জাক, ব্যুরো প্রধান, কক্সবাজার।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুঝুঁকিতে থাকা এক প্রসূতির জীবন রক্ষায় সাহসী ও সময়োপযোগী চিকিৎসা দিয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কক্সবাজারের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমি।
জানা গেছে, প্রসূতি কাজল রেখা গুরুতর শারীরিক অবস্থায় একাধিক হাসপাতালে নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। পরে তাকে চট্টগ্রামে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। তবে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় পথেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় পরিবার চরম উদ্বেগে পড়ে।
এমন সংকটময় মুহূর্তে রোগীর অবস্থা নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করে দ্রুত জরুরি সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন ডা. আরিফা মেহের রুমি। অস্ত্রোপচারের সময় ও পরবর্তী চিকিৎসায় প্রসূতিকে চার ব্যাগ রক্ত সঞ্চালনসহ নিবিড় পরিচর্যা দেওয়া হয়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন প্রসূতি। একই সঙ্গে নবজাতকও সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রসূতি কাজল রেখার স্বামী খোরশেদ আলম বলেন, “আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল। বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও চিকিৎসা পাইনি। শেষ পর্যন্ত ডা. আরিফা মেহের রুমি ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত না নিলে হয়তো আমার স্ত্রীকে আর বাঁচানো সম্ভব হতো না। তাঁর দক্ষতা, আন্তরিকতা ও মানবিকতার কাছে আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ।”
চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের মতে, সংকটাপন্ন রোগীর ক্ষেত্রে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণই অনেক সময় জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান গড়ে দেয়। ডা. আরিফা মেহের রুমির সাহসিকতা, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা শুধু একজন প্রসূতির জীবনই নয়, একটি পরিবারের স্বপ্নও রক্ষা করেছে।
এ ধরনের মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসাসেবা চিকিৎসকদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন