নোয়াখালীর একজন কমিউনিটি স্বাস্থ্য উপ সহকারী কর্মকর্তা জান্নাতুল নাঈমের বিরুদ্ধে সরকারী চাকুরীবিধির তোয়াক্কাহীন দায়িত্ব পালনের অভিযোগ ওঠেছে।
জানা গেছে, তিনি নোয়াখালী সরকারী স্বাস্থ্য বিভাগের উপ সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর কোন কর্মস্থলেই সঠিক, নিয়মিত ও যথাযথ সময়ে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজে শামিল হননা। অনেকটাই মনগড়া ও হেয়ালি স্বভাবে দায়িত্ব পালনের নামে বছরের পর বছর সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন দেদারছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কর্মজীবনের শুরুতে সদরের দাদপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যোগ দেয়ার পরই কিছুদিন যেতে না যেতেই, স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বদলি করা হয়। জানা গেছে সেখানেও নিয়মিত কার্যালয়ে দেখা মেলতোনা তার।
পরবর্তীতে, উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জান্নাতুলকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চরমটুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযোগ ওঠেছে, তিনি এখানেও যোগদান করে যথাসময়ে হাজির হননা। তবে হাজিরা খাতায় নিয়মিত নিজেকে উপস্থিতির তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্ত করছেন বলে কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে। সোমবার বেলা বারটায় চরমটুয়া স্বাস্থ্য কমিউনিটি কেন্দ্রে সরেজমিনে গেলেও তার দেখা মেলেনি।
সূত্র জানায়, তিনি আওয়ামীপন্থি নোয়াখালী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের একজন নেতার আস্থার লোক পরিচয়ে বিগত সরকারের সময় ধরেই কর্মক্ষেত্রে মনগড়া ও যথেচ্ছভাবে হেয়ালি দায়িত্ব পালন করে চলছিলেন।
অবশ্য, কর্মস্থলে তার নিয়মিত উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে জান্নাতুল নাঈমকে যোগাযোগের চেষ্টা করলে না পাওয়ায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাইমা নুসরাত জাবিন , আমার কাছে লিখিত অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালীর একজন কমিউনিটি স্বাস্থ্য উপ সহকারী কর্মকর্তা জান্নাতুল নাঈমের বিরুদ্ধে সরকারী চাকুরীবিধির তোয়াক্কাহীন দায়িত্ব পালনের অভিযোগ ওঠেছে।
জানা গেছে, তিনি নোয়াখালী সরকারী স্বাস্থ্য বিভাগের উপ সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর কোন কর্মস্থলেই সঠিক, নিয়মিত ও যথাযথ সময়ে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজে শামিল হননা। অনেকটাই মনগড়া ও হেয়ালি স্বভাবে দায়িত্ব পালনের নামে বছরের পর বছর সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন দেদারছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কর্মজীবনের শুরুতে সদরের দাদপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যোগ দেয়ার পরই কিছুদিন যেতে না যেতেই, স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বদলি করা হয়। জানা গেছে সেখানেও নিয়মিত কার্যালয়ে দেখা মেলতোনা তার।
পরবর্তীতে, উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জান্নাতুলকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চরমটুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযোগ ওঠেছে, তিনি এখানেও যোগদান করে যথাসময়ে হাজির হননা। তবে হাজিরা খাতায় নিয়মিত নিজেকে উপস্থিতির তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্ত করছেন বলে কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে। সোমবার বেলা বারটায় চরমটুয়া স্বাস্থ্য কমিউনিটি কেন্দ্রে সরেজমিনে গেলেও তার দেখা মেলেনি।
সূত্র জানায়, তিনি আওয়ামীপন্থি নোয়াখালী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের একজন নেতার আস্থার লোক পরিচয়ে বিগত সরকারের সময় ধরেই কর্মক্ষেত্রে মনগড়া ও যথেচ্ছভাবে হেয়ালি দায়িত্ব পালন করে চলছিলেন।
অবশ্য, কর্মস্থলে তার নিয়মিত উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে জান্নাতুল নাঈমকে যোগাযোগের চেষ্টা করলে না পাওয়ায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাইমা নুসরাত জাবিন , আমার কাছে লিখিত অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন