জামাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী হাবুল মিয়া (৫২) নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটায় নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত হাবুল মিয়া উপজেলার বরুহা (রাজঘাট) গ্রামের মৃত মন্নাছ মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী অবস্থায় হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতেন। তাড়াইল সিএনজি স্টেশনে ভিক্ষা করে যা আয় হতো, তা দিয়েই তার জীবিকা চলত। তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে ঢাকায় বসবাস করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটায় দিকে বাড়ির সামনের কাঁচা রাস্তায় অবস্থানকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গাছের কাঠ দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। হামলার পর তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় হাবুল মিয়া সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে পারেননি। তবে তার ঘোঙ্গানির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবুল মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বরুহা (রাজঘাট) গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। একজন অসহায় শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ধারণা, হাবুল মিয়ার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই হামলাটি চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের খালাতো ভাই মৃত কেরো মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে দুই দিন জন ব্যাক্তিকে অজ্ঞাত আসামি করে তাড়াইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তাড়াইল থানা (ভারপ্রাপ্ত) পুলিশ অফিসার শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, এই ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে, মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে ।ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জামাল উদ্দিন
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
৩ আগস্ট ২০২৬
০১৩১৫৬৫১৮৯৬

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
জামাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী হাবুল মিয়া (৫২) নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটায় নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত হাবুল মিয়া উপজেলার বরুহা (রাজঘাট) গ্রামের মৃত মন্নাছ মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী অবস্থায় হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতেন। তাড়াইল সিএনজি স্টেশনে ভিক্ষা করে যা আয় হতো, তা দিয়েই তার জীবিকা চলত। তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে ঢাকায় বসবাস করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটায় দিকে বাড়ির সামনের কাঁচা রাস্তায় অবস্থানকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গাছের কাঠ দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। হামলার পর তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় হাবুল মিয়া সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে পারেননি। তবে তার ঘোঙ্গানির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবুল মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বরুহা (রাজঘাট) গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। একজন অসহায় শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ধারণা, হাবুল মিয়ার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই হামলাটি চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের খালাতো ভাই মৃত কেরো মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে দুই দিন জন ব্যাক্তিকে অজ্ঞাত আসামি করে তাড়াইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তাড়াইল থানা (ভারপ্রাপ্ত) পুলিশ অফিসার শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, এই ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে, মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে ।ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জামাল উদ্দিন
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
৩ আগস্ট ২০২৬
০১৩১৫৬৫১৮৯৬

আপনার মতামত লিখুন