বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্টঃ
বাগেরহাটে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ। এ সময় চোরাইকৃত ৮ টি ইজিবাইক এবং নছিমন-ভটভটি তৈরিতে ব্যবহৃত ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলায় দীর্ঘদিন ধরে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সদর মডেল থানা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় গত ১২ জুলাই বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৮, ৩৭৯, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা করা হয়।"""
তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২ আগস্ট মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুক হাওলাদারকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে সোমবার জেলার বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে শাহ আলম (২৯), আব্দুল্লাহ সরদার (২১) ও আব্দুল হালিমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।"""
অভিযানকালে চোরাইকৃত ৮ টি ইজিবাইক এবং ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শ্যালোমেশিনগুলো নছিমন ও ভটভটি তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।""
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ফারুক হাওলাদারের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও মাদকসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। শাহ আলমের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরির দুটি মামলা। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা নেই।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, জেলায় ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বিপ্লব মল্লিকের রিপোর্টঃ
বাগেরহাটে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ। এ সময় চোরাইকৃত ৮ টি ইজিবাইক এবং নছিমন-ভটভটি তৈরিতে ব্যবহৃত ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলায় দীর্ঘদিন ধরে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সদর মডেল থানা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় গত ১২ জুলাই বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৮, ৩৭৯, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা করা হয়।"""
তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২ আগস্ট মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুক হাওলাদারকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে সোমবার জেলার বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে শাহ আলম (২৯), আব্দুল্লাহ সরদার (২১) ও আব্দুল হালিমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।"""
অভিযানকালে চোরাইকৃত ৮ টি ইজিবাইক এবং ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শ্যালোমেশিনগুলো নছিমন ও ভটভটি তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।""
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ফারুক হাওলাদারের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও মাদকসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। শাহ আলমের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরির দুটি মামলা। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা নেই।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, জেলায় ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন