রিপোর্ট: মোঃ শাহিন
বর্ষা এলেই যেন জলাবদ্ধতা নিয়মিত দুর্ভোগে পরিণত হয় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার জন্য একটি আবাসন প্রকল্পকে দায়ী করা হলেও সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক খাল দখল করে এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক, বিভিন্ন আবাসন প্রকল্প ও শিল্পকারখানার স্থাপনা মিলিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছেন।
সামান্য কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতেই পানির নিচে তলিয়ে যায় কাঞ্চন পৌরসভার অন্তত সাতটি এলাকা। বসতবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা যায়, কালাদী-ভুলতা, ফাঁসিরটেক-মগারবাড়ি, ডুলুরদিয়া, নরাব, হান্ডিমার্কেট থেকে জেলেপাড়া, আমলাব থেকে ভুলতা গাউছিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন খাল এবং খালের মুখ দখল ও ভরাট হয়ে রয়েছে। কোথাও এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক, কোথাও আবাসন প্রকল্প, আবার কোথাও শিল্পকারখানার স্থাপনার কারণে পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে পানি নামতে পারছে না। অন্যদিকে, পূর্বাচল ইস্ট উড সিটি প্রকল্পের অভ্যন্তরে কয়েকটি খাল খনন ও পরিষ্কার করা হলেও প্রকল্পের বাইরের অংশে খালের সংযোগস্থল দখল ও ভরাট হয়ে থাকায় সেই উদ্যোগও কার্যকর হচ্ছে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি খালগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন এবং অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হলে এ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকটাই দূর করা সম্ভব।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
রিপোর্ট: মোঃ শাহিন
বর্ষা এলেই যেন জলাবদ্ধতা নিয়মিত দুর্ভোগে পরিণত হয় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার জন্য একটি আবাসন প্রকল্পকে দায়ী করা হলেও সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক খাল দখল করে এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক, বিভিন্ন আবাসন প্রকল্প ও শিল্পকারখানার স্থাপনা মিলিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছেন।
সামান্য কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতেই পানির নিচে তলিয়ে যায় কাঞ্চন পৌরসভার অন্তত সাতটি এলাকা। বসতবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা যায়, কালাদী-ভুলতা, ফাঁসিরটেক-মগারবাড়ি, ডুলুরদিয়া, নরাব, হান্ডিমার্কেট থেকে জেলেপাড়া, আমলাব থেকে ভুলতা গাউছিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন খাল এবং খালের মুখ দখল ও ভরাট হয়ে রয়েছে। কোথাও এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক, কোথাও আবাসন প্রকল্প, আবার কোথাও শিল্পকারখানার স্থাপনার কারণে পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে পানি নামতে পারছে না। অন্যদিকে, পূর্বাচল ইস্ট উড সিটি প্রকল্পের অভ্যন্তরে কয়েকটি খাল খনন ও পরিষ্কার করা হলেও প্রকল্পের বাইরের অংশে খালের সংযোগস্থল দখল ও ভরাট হয়ে থাকায় সেই উদ্যোগও কার্যকর হচ্ছে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি খালগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন এবং অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হলে এ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকটাই দূর করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন