জামালপুর থেকে উজ্জ্বল আকন্দ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শাহজাতপুর গ্রামে ভেজাল সরিষার তেল উৎপাদনের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রায় এক হাজার ৮০০ লিটার ভেজাল তেল ধ্বংস এবং কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে দেখা যায়, একটি বসতবাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল উৎপাদন করা হচ্ছিল। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ড্রামে তেল মজুত ছিল, যার অনেকগুলোর মুখ খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। কারখানায় সরিষা ভাঙানোর মেশিন থাকলেও তেল পরিশোধনের (ফিল্টারিং) কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জাহাজ থেকে আসা ড্রামের তেল সরিষার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে বোতলজাত করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল।
অভিযানে কারখানার মালিক মো. আলিম উদ্দিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কারখানায় মজুত থাকা প্রায় এক হাজার ৮০০ লিটার ভেজাল তেল মাটিতে ফেলে ধ্বংস করা হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করে ভেজাল তেল তৈরি করে তা ‘জোড়া ষাঁড় মার্কা খাঁটি সরিষার তেল’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছিল। অভিযানে জব্দ করা কথিত সরিষার তেলে সরিষার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
জামালপুর থেকে উজ্জ্বল আকন্দ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শাহজাতপুর গ্রামে ভেজাল সরিষার তেল উৎপাদনের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রায় এক হাজার ৮০০ লিটার ভেজাল তেল ধ্বংস এবং কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে দেখা যায়, একটি বসতবাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল উৎপাদন করা হচ্ছিল। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ড্রামে তেল মজুত ছিল, যার অনেকগুলোর মুখ খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। কারখানায় সরিষা ভাঙানোর মেশিন থাকলেও তেল পরিশোধনের (ফিল্টারিং) কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জাহাজ থেকে আসা ড্রামের তেল সরিষার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে বোতলজাত করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল।
অভিযানে কারখানার মালিক মো. আলিম উদ্দিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কারখানায় মজুত থাকা প্রায় এক হাজার ৮০০ লিটার ভেজাল তেল মাটিতে ফেলে ধ্বংস করা হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করে ভেজাল তেল তৈরি করে তা ‘জোড়া ষাঁড় মার্কা খাঁটি সরিষার তেল’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছিল। অভিযানে জব্দ করা কথিত সরিষার তেলে সরিষার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন