মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবারও ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমনটাই মনে করছেন মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা বলেন, নেতানিয়াহু সম্ভবত ট্রাম্পকে তেহরানে শাসন পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিতে উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন। তবে এ প্রস্তাবে ট্রাম্পের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি নয় বলেও মনে করেন তিনি।
অ্যালেক্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় নয়। তাই ট্রাম্প প্রশাসন এমন কোনো পথে যেতে চাইবে না বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, এই বৈঠক থেকে নেতানিয়াহু আসলে কতটা অর্জন করতে পারবেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়েছে। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা পর্যবেক্ষণের বিষয়।
অ্যালেক্সের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও ইসরাইলের অসন্তোষ রয়েছে। ইসরাইলি কর্মকর্তারা চান, নেতানিয়াহু ট্রাম্পের ওপর চাপ অব্যাহত রাখুন, যাতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিকভাবে করার সুযোগ সীমিত—যদি না দেশটি সরাসরি ইরান দখলের মতো সিদ্ধান্ত নেয়। এমন পদক্ষেপের সম্ভাবনাকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন না অনেক বিশ্লেষক।
উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতিগত অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার বিষয়। বিশেষ করে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে দুই দেশের উদ্বেগ রয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবারও ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমনটাই মনে করছেন মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা বলেন, নেতানিয়াহু সম্ভবত ট্রাম্পকে তেহরানে শাসন পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিতে উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন। তবে এ প্রস্তাবে ট্রাম্পের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি নয় বলেও মনে করেন তিনি।
অ্যালেক্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় নয়। তাই ট্রাম্প প্রশাসন এমন কোনো পথে যেতে চাইবে না বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, এই বৈঠক থেকে নেতানিয়াহু আসলে কতটা অর্জন করতে পারবেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়েছে। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা পর্যবেক্ষণের বিষয়।
অ্যালেক্সের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও ইসরাইলের অসন্তোষ রয়েছে। ইসরাইলি কর্মকর্তারা চান, নেতানিয়াহু ট্রাম্পের ওপর চাপ অব্যাহত রাখুন, যাতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিকভাবে করার সুযোগ সীমিত—যদি না দেশটি সরাসরি ইরান দখলের মতো সিদ্ধান্ত নেয়। এমন পদক্ষেপের সম্ভাবনাকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন না অনেক বিশ্লেষক।
উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতিগত অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার বিষয়। বিশেষ করে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে দুই দেশের উদ্বেগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন