ইরানের ‘মশা নৌবহর’ (Mosquito Fleet)-এর প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছোট আকারের হলেও দ্রুত হামলা চালিয়ে দ্রুত সরে যাওয়ার সক্ষমতার কারণে এই ধরনের নৌযান আধুনিক যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রোববার রুশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান ছোট আকারের কিন্তু অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত নৌযান ব্যবহার করে কার্যকর যুদ্ধ সক্ষমতা দেখিয়েছে।
পুতিন বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে তাকান। ইরান তাদের ‘মশা নৌবহর’ ব্যবহার করে বেশ কার্যকরভাবে যুদ্ধ করেছে। এটি নতুন প্রযুক্তির একটি দিক। আমাদের কাছেও ছোট টননেজের জাহাজ রয়েছে, তবে সেগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ‘মশা নৌবহরে’ রয়েছে গাদির-শ্রেণির ক্ষুদ্র সাবমেরিন, দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌযান এবং হামলাকারী স্পিডবোট। এসব নৌযান উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত মোতায়েন করা যায় এবং আকারে ছোট হওয়ায় সহজে নজর এড়িয়ে চলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছোট আকার, উচ্চ গতি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কারণে এ ধরনের নৌবহর বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
এ ছাড়া ইরানের দুর্গম ও পাথুরে উপকূলীয় এলাকায় নির্মিত সুরক্ষিত স্থানে এসব নৌযান রাখা সম্ভব হওয়ায় দূরপাল্লার হামলায় এগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ইরানের ‘মশা নৌবহর’ (Mosquito Fleet)-এর প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছোট আকারের হলেও দ্রুত হামলা চালিয়ে দ্রুত সরে যাওয়ার সক্ষমতার কারণে এই ধরনের নৌযান আধুনিক যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রোববার রুশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান ছোট আকারের কিন্তু অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত নৌযান ব্যবহার করে কার্যকর যুদ্ধ সক্ষমতা দেখিয়েছে।
পুতিন বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে তাকান। ইরান তাদের ‘মশা নৌবহর’ ব্যবহার করে বেশ কার্যকরভাবে যুদ্ধ করেছে। এটি নতুন প্রযুক্তির একটি দিক। আমাদের কাছেও ছোট টননেজের জাহাজ রয়েছে, তবে সেগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ‘মশা নৌবহরে’ রয়েছে গাদির-শ্রেণির ক্ষুদ্র সাবমেরিন, দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌযান এবং হামলাকারী স্পিডবোট। এসব নৌযান উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত মোতায়েন করা যায় এবং আকারে ছোট হওয়ায় সহজে নজর এড়িয়ে চলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছোট আকার, উচ্চ গতি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কারণে এ ধরনের নৌবহর বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
এ ছাড়া ইরানের দুর্গম ও পাথুরে উপকূলীয় এলাকায় নির্মিত সুরক্ষিত স্থানে এসব নৌযান রাখা সম্ভব হওয়ায় দূরপাল্লার হামলায় এগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন