দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় নির্দেশদাতার পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সরকারি নথির বরাতে জানা গেছে, ভিড় নিয়ন্ত্রণে ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন দিল্লি পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনার (ডিসিপি)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) একজন ডেপুটি কমান্ড্যান্ট ওই নির্দেশে ছররা গুলি ছোড়েন।
প্রকাশিত সরকারি নথি অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ডিসিপির নির্দেশে আরএএফ কর্মকর্তা দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অস্ত্র থেকে ৫৫ রাউন্ড নন-ইলেকট্রিক্যাল শেল, ১৫ রাউন্ড ইলেকট্রিক্যাল শেল, পাঁচটি টিয়ার স্মোক গ্রেনেড এবং ছররা গুলিভর্তি ব্যালিস্টিক কার্তুজ থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই ঘটনায় আরএএফ সদস্যদের ছোড়া ছররা গুলিতে আহত দুজনকে সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তাদের অস্ত্রোপচার করা হয়। আহতদের একজন ১৯ বছর বয়সী সাহিল লোচাব। তার চোখে ছররার আঘাতের কারণে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে তার পরিবার জানিয়েছে।
ছররা গুলি ও শক-ব্যাটন সিআরপিএফের অধীন বিশেষ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী আরএএফের ব্যবহৃত সরঞ্জামের অংশ। গত ২০ জুলাই তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় দিল্লি পুলিশ ও আরএএফ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল।
নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর ছররা গুলি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে দায়ের করা একাধিক আবেদনের শুনানি বর্তমানে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে চলছে।
গত ২৭ জুলাই ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর অবসরপ্রাপ্ত স্পেশাল ডিরেক্টর যশবর্ধন আজাদ এবং ছররা গুলিতে আহত আরও দুজন ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেসামরিক জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে পেলেট বা ধাতব প্রজেক্টাইল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বলপ্রয়োগের নীতিমালা নির্ধারণে আদালতের হস্তক্ষেপও চাওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় নির্দেশদাতার পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সরকারি নথির বরাতে জানা গেছে, ভিড় নিয়ন্ত্রণে ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন দিল্লি পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনার (ডিসিপি)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) একজন ডেপুটি কমান্ড্যান্ট ওই নির্দেশে ছররা গুলি ছোড়েন।
প্রকাশিত সরকারি নথি অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ডিসিপির নির্দেশে আরএএফ কর্মকর্তা দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অস্ত্র থেকে ৫৫ রাউন্ড নন-ইলেকট্রিক্যাল শেল, ১৫ রাউন্ড ইলেকট্রিক্যাল শেল, পাঁচটি টিয়ার স্মোক গ্রেনেড এবং ছররা গুলিভর্তি ব্যালিস্টিক কার্তুজ থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই ঘটনায় আরএএফ সদস্যদের ছোড়া ছররা গুলিতে আহত দুজনকে সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তাদের অস্ত্রোপচার করা হয়। আহতদের একজন ১৯ বছর বয়সী সাহিল লোচাব। তার চোখে ছররার আঘাতের কারণে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে তার পরিবার জানিয়েছে।
ছররা গুলি ও শক-ব্যাটন সিআরপিএফের অধীন বিশেষ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী আরএএফের ব্যবহৃত সরঞ্জামের অংশ। গত ২০ জুলাই তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় দিল্লি পুলিশ ও আরএএফ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল।
নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর ছররা গুলি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে দায়ের করা একাধিক আবেদনের শুনানি বর্তমানে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে চলছে।
গত ২৭ জুলাই ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর অবসরপ্রাপ্ত স্পেশাল ডিরেক্টর যশবর্ধন আজাদ এবং ছররা গুলিতে আহত আরও দুজন ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেসামরিক জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে পেলেট বা ধাতব প্রজেক্টাইল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বলপ্রয়োগের নীতিমালা নির্ধারণে আদালতের হস্তক্ষেপও চাওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন