কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি বাণিজ্যিক জাহাজে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে এর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
রোববার (২৭ জুলাই) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, ইসরায়েলের ইঙ্গিতেই ইউক্রেন এ হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ইরান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক’ হামলায় জাহাজে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন নাবিক নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কখনোই হস্তক্ষেপ করেনি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, হামলার প্রতিবাদ জানাতে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘পরজীবি’ বলে আখ্যা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্ররোচনায় ইউক্রেন একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে একজন নাবিককে হত্যা করেছে, যা জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আরাগচি আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাইয়া কালাস এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে তিনি বলেন, কিয়েভের পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে সের্গেই লাভরভ নিহত নাবিকের ঘটনায় ইরানের প্রতি সমবেদনা জানান। আরাগচি রাশিয়ার আস্ত্রাখান অঞ্চলের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান, যারা হামলার পর জাহাজের ক্রুদের সহায়তা করেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আরাগচি কিয়েভের এমন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি বাণিজ্যিক জাহাজে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে এর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
রোববার (২৭ জুলাই) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, ইসরায়েলের ইঙ্গিতেই ইউক্রেন এ হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ইরান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক’ হামলায় জাহাজে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন নাবিক নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কখনোই হস্তক্ষেপ করেনি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, হামলার প্রতিবাদ জানাতে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘পরজীবি’ বলে আখ্যা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্ররোচনায় ইউক্রেন একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে একজন নাবিককে হত্যা করেছে, যা জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আরাগচি আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাইয়া কালাস এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে তিনি বলেন, কিয়েভের পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে সের্গেই লাভরভ নিহত নাবিকের ঘটনায় ইরানের প্রতি সমবেদনা জানান। আরাগচি রাশিয়ার আস্ত্রাখান অঞ্চলের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান, যারা হামলার পর জাহাজের ক্রুদের সহায়তা করেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আরাগচি কিয়েভের এমন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন