স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশে শিগগিরই আরও চিকিৎসক এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের সব উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিকট ভবিষ্যতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী এবং ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্যসেবা খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবা, সুবিধা-অসুবিধা ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. রিকাবদার, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্থিতা হাওলাদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েতসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশে শিগগিরই আরও চিকিৎসক এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের সব উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিকট ভবিষ্যতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী এবং ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্যসেবা খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবা, সুবিধা-অসুবিধা ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. রিকাবদার, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্থিতা হাওলাদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েতসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন