কুমিল্লা থেকে আনা ১৬ কেজি গাঁজার চালানসহ জামাই, মেয়ে ও শ্বশুরসহ সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) রাত ১০:০০ ঘটিকায় সদর উপজেলার হরিপুর বাজার এলাকার 'পরিবহন শ্রমিক কল্যাণ ফিলিং স্টেশন'-এর সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে এক আভিযানিক দল ঢাকা থেকে আগত একটি এসি বাসে তল্লাশি চালায়। বাসে থাকা ৩টি ব্যাগের ভেতর স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ৮টি পোটলায় মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় (প্রতি পোটলায় ২ কেজি করে)।
১. মোঃ সুইট (২৪) — পিতা: মোঃ জেম, সাং: তেলকুপি বিশ্বাসটোলা, থানা: শিবগঞ্জ।
২. মোঃ মতিউর রহমান (৪০) — পিতা: মৃত দুখুর উদ্দিন, সাং: কাশিয়াবাড়ি, থানা: শিবগঞ্জ।
৩. মোঃ জিহাদ আলী (২০) — পিতা: মৃত নূর ইসলাম, সাং: তারাপুর পোড়াপাড়া, থানা: শিবগঞ্জ।
৪. মোঃ অসীম আলী (২০) — পিতা: মোঃ জেন্টু আলী, সাং: নতুন বারোরাশিয়া, থানা: শিবগঞ্জ।
৫. মোসাঃ মমেনা খাতুন (২৪) — পিতা: মোঃ মতিউর রহমান, স্বামী: মোঃ সুইট, সাং: দায়পুকুরিয়া, থানা: শিবগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোঃ মতিউর রহমান, তাঁর মেয়ে মোসাঃ মমেনা খাতুন এবং জামাই মোঃ সুইট সম্পর্কে সরাসরি শ্বশুর, মেয়ে ও জামাই। ঘটনার সময় গ্রেফতারকৃত নারী আসামী মমেনা খাতুনের সাথে তাঁর আনুমানিক ৬ মাস বয়সী একটি শিশুপুত্র ছিল।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, রাজমিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে আসামী সুইট দীর্ঘদিন কুমিল্লায় অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকে কৌশলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক সরবরাহ করতেন। এই চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে কুমিল্লা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে এসে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিল।
ঘটনার দিন সকালেও তারা কুমিল্লা থেকে গাঁজার চালান নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। খবর পেয়ে ডিএনসি টিম গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
উপপরিদর্শক জনাব মামুনুর রশিদ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা থেকে আনা ১৬ কেজি গাঁজার চালানসহ জামাই, মেয়ে ও শ্বশুরসহ সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) রাত ১০:০০ ঘটিকায় সদর উপজেলার হরিপুর বাজার এলাকার 'পরিবহন শ্রমিক কল্যাণ ফিলিং স্টেশন'-এর সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে এক আভিযানিক দল ঢাকা থেকে আগত একটি এসি বাসে তল্লাশি চালায়। বাসে থাকা ৩টি ব্যাগের ভেতর স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ৮টি পোটলায় মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় (প্রতি পোটলায় ২ কেজি করে)।
১. মোঃ সুইট (২৪) — পিতা: মোঃ জেম, সাং: তেলকুপি বিশ্বাসটোলা, থানা: শিবগঞ্জ।
২. মোঃ মতিউর রহমান (৪০) — পিতা: মৃত দুখুর উদ্দিন, সাং: কাশিয়াবাড়ি, থানা: শিবগঞ্জ।
৩. মোঃ জিহাদ আলী (২০) — পিতা: মৃত নূর ইসলাম, সাং: তারাপুর পোড়াপাড়া, থানা: শিবগঞ্জ।
৪. মোঃ অসীম আলী (২০) — পিতা: মোঃ জেন্টু আলী, সাং: নতুন বারোরাশিয়া, থানা: শিবগঞ্জ।
৫. মোসাঃ মমেনা খাতুন (২৪) — পিতা: মোঃ মতিউর রহমান, স্বামী: মোঃ সুইট, সাং: দায়পুকুরিয়া, থানা: শিবগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোঃ মতিউর রহমান, তাঁর মেয়ে মোসাঃ মমেনা খাতুন এবং জামাই মোঃ সুইট সম্পর্কে সরাসরি শ্বশুর, মেয়ে ও জামাই। ঘটনার সময় গ্রেফতারকৃত নারী আসামী মমেনা খাতুনের সাথে তাঁর আনুমানিক ৬ মাস বয়সী একটি শিশুপুত্র ছিল।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, রাজমিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে আসামী সুইট দীর্ঘদিন কুমিল্লায় অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকে কৌশলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক সরবরাহ করতেন। এই চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে কুমিল্লা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে এসে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিল।
ঘটনার দিন সকালেও তারা কুমিল্লা থেকে গাঁজার চালান নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। খবর পেয়ে ডিএনসি টিম গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
উপপরিদর্শক জনাব মামুনুর রশিদ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন