ডেস্ক নিউজ ঃ ঢাকা মেগাসিটির যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীর ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে (ইন্টারসেকশন) পর্যায়ক্রমে ‘সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে রাজধানীর ১২টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সিগন্যাল পয়েন্টের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০টিতে উন্নীত করার আশা করছে ট্রাফিক বিভাগ। কেবল হাতে ইশারা বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ যানবাহন সামলানো সম্ভব নয় বলেই এই পদেক্ষেপ। সেমি-অটোমেটিক সিগন্যালে যানবাহনের চাপ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিগন্যালের সময় পরিবর্তন করা যাবে। সীমিত জনবল দিয়েই যানজট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত এক বছরে নগরীর প্রায় ৭৫টি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন ও কৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে (যেমন: আসাদ গেট, বসিল ও কাকলী)। এর ফলে গাড়ি থেমে না থেকে সচল থাকছে। ডিএমপির তথ্যমতে, দেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার দিকে যাওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে জিপিএস (GPS) ভিত্তিক নজরদারি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। নগরবাসী ট্রাফিক সংকেত মেনে চললে এবং প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে ঢাকার যানজট সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
ডেস্ক নিউজ ঃ ঢাকা মেগাসিটির যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীর ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে (ইন্টারসেকশন) পর্যায়ক্রমে ‘সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে রাজধানীর ১২টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সিগন্যাল পয়েন্টের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০টিতে উন্নীত করার আশা করছে ট্রাফিক বিভাগ। কেবল হাতে ইশারা বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ যানবাহন সামলানো সম্ভব নয় বলেই এই পদেক্ষেপ। সেমি-অটোমেটিক সিগন্যালে যানবাহনের চাপ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিগন্যালের সময় পরিবর্তন করা যাবে। সীমিত জনবল দিয়েই যানজট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত এক বছরে নগরীর প্রায় ৭৫টি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন ও কৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে (যেমন: আসাদ গেট, বসিল ও কাকলী)। এর ফলে গাড়ি থেমে না থেকে সচল থাকছে। ডিএমপির তথ্যমতে, দেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার দিকে যাওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে জিপিএস (GPS) ভিত্তিক নজরদারি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। নগরবাসী ট্রাফিক সংকেত মেনে চললে এবং প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে ঢাকার যানজট সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন